১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

admin

নিউদিশা শীতকালে ঠাণ্ডা জলে না গরম জলে স্নান করা উচিত?

জল অতিরিক্ত পরিমাণ ঠান্ডা হবার দরুন, শীতকালে স্নান করা, আমাদের কাছে একটি ভীতির সঞ্চার করে। ফলে অনেকের মধ্যেই, নিয়মিত স্নান করার প্রবণতা হ্রাস পায় অথবা গরম জলে কার্যসিদ্ধি করে। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম জলের ব্যবহার কতটা ভালো বা খারাপ, সেটা আমাদের প্রত্যেকেরই প্রায় অজানা।

স্নান এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহারের ঝুঁকি

স্নান এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহারের ঝুঁকি

বেশি উষ্ণ জল, ত্বকের ফলিকলগুলোকে ড্যামেজ করে। ফলস্বরূপ ত্বক, নিজের নমনীয়তা হারায় অর্থাৎ ট্যন-এর আবির্ভাব ঘটে।
স্নানের সময় মাথায় অতিরিক্ত গরম জলের ব্যবহার, চুলকে যেমনি ক্ষতিগ্রস্ত করে তেমনি ব্রেনের ওপরেও চাপ সৃষ্টি করে। সেই কারণে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত, মাথায় ঠান্ডা জল ব্যবহার করা।
যাদের হৃদপিণ্ড জনিত সমস্যা রয়েছে, গরম জলের ব্যবহার, তাদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের ওপর প্রভাব ফেলে।



স্নান এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহারের ঝুঁকি স্নান এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহারের ঝুঁকি বেশি উষ্ণ জল, ত্বকের ফলিকলগুলোকে ড্যামেজ করে। ফলস্বরূপ ত্বক, নিজের নমনীয়তা হারায় অর্থাৎ ট্যন-এর আবির্ভাব ঘটে। স্নানের সময় মাথায় অতিরিক্ত গরম জলের ব্যবহার, চুলকে যেমনি ক্ষতিগ্রস্ত করে তেমনি ব্রেনের ওপরেও চাপ সৃষ্টি করে। সেই কারণে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত, মাথায় ঠান্ডা জল ব্যবহার করা। যাদের হৃদপিণ্ড জনিত সমস্যা রয়েছে, গরম জলের ব্যবহার, তাদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের ওপর প্রভাব ফেলে।


কথাটা বাসি হলেও সত্যি যে, অতিরিক্ত গরম জল, মুখের ব্রণ সৃষ্টির সহায়ক। মানসিক বিষন্নতা এবং শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে এর জুড়ি মেলা ভার। আর এসিডিটির সমস্যা, এটা আমাদের প্রত্যেকেরই জানা।

স্নান এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঠান্ডা জল ব্যবহারের ঝুঁকি৷৷  ৷৷৷৷৷৷ ৷ 

আবার অতিরিক্ত ঠান্ডা জলে স্নান, আপনার শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ হ্রাস করবে। যা, দেহের সূক্ষ্ম টিস্যুগুলোর ওপর একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। নার্ভের সমস্যা দেখা দেবে। বিভিন্ন “বাত” জনিত রোগের-ও শিকার হবেন আপনি। টনসিল, সর্দি, কাশি প্রভৃতি বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গের উৎপত্তি ঘটবে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ-এর বৃদ্ধি ঘটবে।

কিন্তু শীতকালে স্নান করার ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কি?

শীতকালে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের পেশির রিল্যাক্সেশনের ক্ষেত্রে, এর থেকে ভালো উপায় আর নেই। এতে শরীরের রক্ত চলাচলের বৃদ্ধি ঘটে, অনিদ্রাজনিত ব্যাধি দূর হয়। সর্দি, কাশি বা টনসিলের উপশম ঘটে। সমগ্র শরীর, স্বাভাবিক তাপমাত্রায় থাকে। বাতের ব্যথা দূরীকরণে, “টনিক”-এর মতো কাজ করে।

সব কথার শেষ কথা, শীতকালে স্নান করার ক্ষেত্রে মাথায় ঠান্ডা জল ঢালুন, গায়ে ঈষদুষ্ণ জল দিন। এতে আপনার “রথ দেখা কলা বেচা” দুটোই হবে

Read More

১৩ ডিসেম্বর ২০১৭

Dilip Poddar

Chain Group Full Review || Deposite and Withdraw in Hindi/Urdu

Read More

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

Dilip Poddar

Funny Bangla Jockes

Read More

০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

Dilip Poddar

বাংলা Love SMS

Bangla Love SMS 1: "ভালোবাসা" শব্দটা
"ভালোবাসা" শব্দটা হয় না কখনো পুরানো..হয় না কখনো মলিন..হয় না ধূসর কিংবা বর্নহীণ..যা শুধু রংধনুর রঙে রঙিন..হোক না সেটা এপার কিংবা ওপারের..তারপরেও ভালোবাসা তো শুধুই ভালোবাসা "!!
BANGLA SMS

Bangla Love SMS 2: পৃথিবীতে ভালবাসা
পৃথিবীতে ভালবাসার কোন দাম নেই,
সবাই সুন্দর মানুষ খুঁজে..
কিন্তু সুন্দর মন কেউ খুঁজে না..
একটা কথা মনে রেখো,
রূপ এক দিনের..
কিন্তু ভালবাসা চিরদিনের...!

Bangla Love SMS 3: তোমায় যদি
তোমায় যদি না পাই আমি জীবনের তরে,এ জীবন যাবে আঁধারে আঁধারে।আলো তুমি আমার দুই নয়নের মাঝে_
মনের মানুষ তুমি প্রেমের পৃথিবীতে॥

Bangla Love SMS 4: সামান্য ভুল
সামান্য ভুল
কিংবা জমে থাকা অভিমানে ...
আমার ভালবাসার প্রতিদান
তুমি এভাবে দিলে ...???...
তোমার হাসিটা দেখব
বলে আমি আজও
অপেক্ষায়
থাকি ...,,,...
আমি জানি সে হাসিটা আমার সব
দুঃখ
ভুলিয়ে দেবে ...

Bangla Love SMS 5: তোমরা তোমার
তোমরা তোমার গার্ল-ফ্রেন্ড কে
মনের কথা শেয়ার কর আন-লিমিটেড -
১.বাংলা = আমি তোমাকে ভালবাসি
২.ইংরেজি = আই লাভ ইউ
৩.ইতালিয়ান = তি আমো
৪.রাশিয়ান = ইয়া তেবয়া লিউব্লিউ
৫.কোরিয়ান = তাঙশি নুল সারাঙ হা ইয়ো
৬.কানাডা = নান্নু নিনান্নু প্রীতিসুথিন
৭.জার্মান = ইস লিবে দিস
৮.রাখাইন = অ্যাঁই সাঁইত

Bangla Love SMS 6: একটা মেয়ে
একটা মেয়ে একটি ছেলেকে যত
বেশী ভালোবাসে, তার
চোখের দিকে তাকাতে সে তত
বেশী লজ্জা বোধ করে।
আর একটা ছেলে একটা মেয়েকে যত
বেশী ভালোবাসে, তার
বেশী সে তার ভালোবাসার
মানুষটিকে হারানোর
ভয়ে ভীত থাকে

Bangla Love SMS 7: যখন কেউ কারো
যখন কেউ কারো জন্য কাঁদে ... সেটা হল আবেগ. …
যখন কেউ কাউকে কাদায়,
সেটা হল প্রতারণা…
আর যখন কেউ কাউকে
কাদিয়ে নিজেও কেঁদে ফেলে ...!! সেটাই হলো প্রকৃত ভালবাসা .....
কাউকে ভালবাসি বোঝার, সবচেয়ে বড় অনুভূতি হল, তাকে ভেবে কান্না করা।

Bangla Love SMS 8: অল্প অল্প মেঘ
অল্প অল্প মেঘ থেকে,
হালকা হালকা বৃষ্টি হয়।
ছোট্ট ছোট্ট গল্প থেকে,
ভালোবাসা সৃষ্টি হয়।
মাঝে মাঝে স্মরণ করলে,
সম্পর্কটা মিষ্টি হয়।

Bangla Love SMS 9: কাউকে দূর থেকে
কাউকে দূর থেকে ভালবাসাই সব
থেকে পবিত্র ভালবাসা।
কারণ এ ভালবাসায় কোন রকম
অপবিত্রতা থাকে না,
কোন শারীরিক চাহিদা থাকে না শুধু
নীরব কিছু অভিমান থাকে,
যা কখনো কেউ
ভাঙায় না ...

Bangla Love SMS 10: আমি এখনও
আমি এখনও সেই পথে বসে আছি যে পথে তুমি চলে গেছো.
আমি এই পথে বসে থাকবো যতদিন না তুমি ফিরে আসো.

Bangla Love SMS 11: পাহাড়ের উপর
পাহাড়ের উপর দারিয়ে আকাশ
কে যতটা কাছে মনে হয় , আকাশ
ততোটা কাছে নয়. ঠিক তেমনি কোন মানুষ
কে যতটা আপন মনে হয় ,
আসলে সে কখনো ততোটা আপন নয়.???

Bangla Love SMS 12: ভাল লাগে
ভাল লাগে তোমার ঐ হাসি,
মায়া ভরা দুটো চোখ,
যেখানে অপরিসীম ভালবাসায় তুমি রেখেছ আমায়...।
থ্যাংকস আমাকে পরিপূর্ণ করার জন্য, আমায় ভালবাসার জন্য।

Bangla Love SMS 13: তোমাকে হয়নি বলা
তোমাকে হয়নি বলা কতটা ভালবাসি
তোমাকে হয়নি বলা এক পলক দেখার
জন্য কতটা উতলা আমি...
তোমাকে হয়নি বলা চোখ বন্ধ করেও
তোমাকে দেখতে পাই...
তোমাকে হয়নি বলা যতটা কষ্ট
তোমাকে দেই তার চেয়ে অনেক
বেশি কষ্ট নিজে পাই...
তোমাকে বলতে পারিনা একা একা তোমার
সাথে কথা বলি কিন্তু
তুমি সামনে আসলে
সবই হারিয়ে ফেলি........

Bangla Love SMS 14: ভালবেসে এই মন
ভালবেসে এই মন, তোকে চায় সারাক্ষণ। আছিস তুই মনের মাঝে, পাশে থাকিস সকাল সাঁঝে। কি করে তোকে ভুলবে এই মন, তুই যে আমার জীবন।।

Bangla Love SMS 15: আকাশ তুমি
আকাশ তুমি মেঘলা কেনো,
বকল তোমায় কে ?
রোদের সাথে আজ কি তোমার ঝগড়া হয়েছে ?
তা'না হলে সকাল থেকে
কাঁদছ কেন এতো,
তোমারও কি মনটা খারাপ
আমারই মতো ? ???
' , ' , ' , ' , ' , '
, ' , ' , ' , ' , ' '
''_______"' ' '
/____,_/ .;';';.
l__[]__l_ l. ,,)(,

Bangla Love SMS 16: ভালবেসে ভালবাসা
ভালবেসে ভালবাসা বেঁধেছি আমি হৃদয়ের বাঁধনে, ছিরবেনা বাধন তুমি না চাইলে।

Bangla Love SMS 17: তুমি যাকে ভালো
তুমি যাকে ভালোবাসো তার কাছে তুমি পাবে 0%।
যে তোমাকে ভালোবাসে তার কাছে তুমি পাবে ১০০%।SO,
তাকেই ভালোবাসো যে তোমাকে ভালোবাসে।

Bangla Love SMS 18: পৃথিবীর সবকিছু
পৃথিবীর সবকিছু তখনি নিজের মনে হয়,
যখন তুমি পাশে থাকে।
আর তখনি নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে হয়,
যখন তুমি বিশ্বাস দিয়ে বিশ্বাস রাখে।

Bangla Love SMS 19: শীতের চাদর
শীতের চাদর জড়িয়ে, কুয়াশার মাঝে দারিয়ে, হাত দুটো দাও বারিয়ে, শিশিরের শীতল স্পর্শে যদি, শিহরিত হয় মন" বুঝেনিও আমি আছি তোমার পাশে সারাক্ষণ।

Bangla Love SMS 20: একটি প্রকৃত ভালবাসা
একটি প্রকৃত ভালবাসা হতে পারে দৈহিক অথবা ঐশ্বরিক| সত্য ভালবাসা হচ্ছে এমন কিছু যা শাশ্বত ও অধিক শান্তিপূর্ণ| ___জোনাক

Bangla Love SMS 21: হতে পার তুমি
হতে পার তুমি মন থেকে দুরে তথাপি, রয়েছও মোর নয়ন পুরে॥ হয়তো তুমি নেই এই হৃদয়ে, তবুও রয়েছ পরশের-ই ভিতরে। কারণ, ভালবাসি শুধুই তোমারে॥

Bangla Love SMS 22: তুমি আমার দৃষ্টি
তুমি আমার দৃষ্টি-সীমার বাইরে হতে পার,
কিন্তু আমার হৃদয় থেকে দূরে নয়॥
তুমি আমার নাগালের বাইরে যেতে পার,
কিন্তু আমার মন থেকে নয়॥

Bangla Love SMS 23: যদি বৃষ্টি হতাম
যদি বৃষ্টি হতাম...... তোমার দৃষ্টি ছুঁয়ে দিতাম। চোখে জমা বিষাদ টুকু এক নিমিষে ধুয়ে দিতাম। মেঘলা বরণ অঙ্গ জুড়ে তুমি আমায় জড়িয়ে নিতে,কষ্ট আর পারতো না তোমায় অকারণে কষ্ট দিতে..!

Bangla Love SMS 24: আমার জীবনে কেউ
আমার জীবনে কেউ নেই তুমি ছাড়া, আমার জীবনে কোনও স্বপ্ন নেই তুমি ছাড়া , আমার দুচোখ কিছু খোজেনা তোমায় ছাড়া, আমি কিছু ভাবতে পারিনা তোমায় ছাড়া , আমি কিছু লিখতে পারিনা তোমার নাম ছাড়া, আমি কিছু বুঝতে চাইনা তোমায় ছাড়া !

Bangla Love SMS 25: আমি চাইনা
আমি চাইনা তুমি আমাকে বার বার বলো আমি তোমাকে ভালোবাসি. কিন্তু আমি চাচ্ছি তুমি আমার জন্য একটু অপেক্ষা করো, আমি বলছিনা তুমি আমাকে অনেক ভালবাসবে কিন্তু আমি বলছি তুমি আমাকে একটু সুযোগ দিও তোমাকে মন উজাড় করে ভালবাসতে.

Bangla Love SMS 26: ভালবাসা স্বপ্নিল
ভালবাসা স্বপ্নিল আকাশের মত সত্য,, শিশির ভেজা ফুলের মত পবিত্র.. কিন্তু সময়ের কাছে পরাজিত,, বাস্তবতার কাছে অবহেলিত..!!

Bangla Love SMS 27: আমি সেই
আমি সেই সুতো হবো , যে তোমায় আলোকিত করে নিজে জ্বলে যাবো . . . আমি সেই নৌকো হবো , যে তোমায় পার করে নিজেই ডুবে যাবো . . . হবো সেই চোখ যে তোমায় দেখেই বুজে যাবো, হবো সেই সুর যে তোমায় মাতিয়ে করুণ হবো, হবো সেই চাঁদ যে হয়ে গেলে আধ , তোমাকে আলো দেবে দিন ফিরে এলেই আবার ফুরিয়ে যাবো , শুধু ভালবেসো আমায় !!

Bangla Love SMS 28: তুমি সেই
তুমি সেই কবিতা ! যা প্রতি দিন ভাবি.... লিখতে পারিনা॥ তুমি সেই ছবি! যা কল্পনা করি.... আঁকতে পারি না॥ তুমি সেই ভালবাসা! যা প্রতিদিন চাই.... কিন্তূ তা কখনো-ই পাই না॥

Bangla Love SMS 29: যতই দূরে হারিয়ে
যতই দূরে হারিয়ে যাও , আমি তোমাকে খুঁজে বের করবোই । যতই পর ভাবো আমায় , আমি তোমাকে আপন করে নেবো । যতই ঘৃণা কর আমায় , আমি চিরদিন এভাবে তোমায় ভালবেসে যাবো । যতই পাষাণ হোক তোমার মন , ওই মনে আমার জন্যে ভালবাসার একটা জায়গা করে নিবোই।

Bangla Love SMS 30: টিপ টিপ বৃষ্টি
টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ে,
তোমার কথা মনে পড়ে।
এ মন না রয় ঘরে, জানি না তুমি আসবে কবে!
এ প্রাণ শুধু তোমায় ডাকে, আমায় ভালবাসবে বলে!
ফুল হাতে থাকবো দাঁড়িয়ে, বলবো আমি তোমায় পেয়ে।
সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে পেয়েছি তোমায় খুঁজে...

Bangla Love SMS 31: প্রেমে পাগল
তোমায় পেয়েই বুঝেছি প্রেমে পাগল মানুষ কি করে হয়, আজ আমি তোমাকে এতটাই ভালবাসি যে এই পাগল হওয়াটা আমার কাছে শত সহস্রগুন ভাল মনে হচ্ছে......।
এই পাগলটার সাথে কি থাকবে ছোট্ট একটা ভালবাসার পাগলাগারদে? :)

Bangla Love SMS 32: মহান কোন
মহান কোন উপহার পাওয়া যায় না কোন দোকানে, পাওয়া যায় না কোন গাছের নিচে, সেটা পাওয়া শুধু সত্যিকারের ভালবাসার মানুষের মনে

Bangla Love SMS 33: এই জীবনে সব
এই জীবনে সব পেয়েছি, পাইনি কারো মন জানিনা যে এই জীবনে কে হবে আপন, মনের মত চাই তারে, চাই তার মন। হবে কি তুমি আমার কাছের একজন?

Bangla Love SMS 34: মনেতে আকাশ হয়ে
মনেতে আকাশ হয়ে রয়েছও ছড়িয়ে,বলনা কোথায় রাখি তোমায় লুকিয়ে।থাকি যে বিভোর হয়ে শয়নে স্বপনে॥যেও না হৃদয় থেকে দূরে হারিয়ে,আমি যে ভালবাসি শুধু-ই তোমাকে॥

Bangla Love SMS 35: তুমি চাঁদ
তুমি চাঁদ নও তবে চাঁদের আলো। তুমি ফুল নও তবে ফুলের সৌরভ। তুমি নদী নও তবে নদীর ঢেউ। তুমি অচেনা নও তুমি আমার চেনা কেউ॥

Bangla Love SMS 36: মনে পড়ে
"মনে পড়ে তোমাকে যখন থাকি নীরবে" "ভাবি শুধু তোমাকে সবসময় অনুভবে" "স্বপ্নে দেখি তোমাকে চোখের প্রতি পলকে" "আপন ভাবি তোমাকে আমার প্রতি নিশ্বাসে ও বিশ্বাসে॥

Bangla Love SMS 37: সারাক্ষণ ভাল
সারাক্ষণ ভাল থেকো, ভালবাসা মনে রেখ । দিনের বেলা হাসি মুখে, রাতের বেলা অনেক সুখে॥ নানা রঙের স্বপ্ন দেখ, স্বপ্নের মাঝে আমায় রেখ॥

Bangla Love SMS 38: স্বপ্ন দিয়ে
স্বপ্ন দিয়ে আঁকি আমি, সুখের সীমানা । হৃদয় দিয়ে খুঁজি আমি, মনের ঠিকানা । ছায়ার মত থাকবো আমি, শুধু তার পাশে, যদি বলে সে আমায় সত্যি ভালবাসে॥

Bangla Love SMS 39: তোমারি চোখেরই
তোমারি চোখেরই আঙ্গিনায় ,এখনো কি তেমনি করে ছড়ায় আলো? এখনো কি তারার পানে চেয়ে থাকো আন মনে? তুমি কি আমায় আগের মত বাস ভাল??

Bangla Love SMS 40: সুন্দর রাত
সুন্দর রাত তার চেয়ে সুন্দর তুমি, মনের দরজা খুলে দেখ তোমার অপেক্ষায় দাড়িয়ে আছি আমি। দু'হাত বাড়ালাম আমি তোমার তরে, তুমি কি নিবে আমায় ভালবেসে আপন করে ?

Bangla Love SMS 41: একদম নিখুঁত
একদম নিখুঁত মানুষ-খুঁজতে যেও না ,বিধাতা মানুষের ভিতর-কিছু কিছু খুত মিশিয়ে দিয়েছে;বেশি নিখুঁত মানুষ খুঁজতে গেলে,তুমি ভালোবাসার কোনোমানুষই পাবে না..!!

Bangla Love SMS 42: পৃথিবীর সবচেয়ে
পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দময় জিনিস গুলির-জন্যে কিন্তু টাকা লাগে না ।বিনা মূল্যে পাওয়া যায় যেমন জোছনা,বর্ষার দিনের বৃষ্টি, আর আমার ভালবাসা|

Bangla Love SMS 43: ফুল লাল পাতা
মন কেন এতো অবুঝ?
মন কেন চায় তোমার এত কাছে আসতে?
কেন চায় তোমায় শুধু ভালবাসতে...

Bangla Love SMS 44: চায়নি হতে
চায়নি হতে তোমার জীবনে কাটা তারের বেড়া। জোর না করে প্রজাপতির মতন আলতো করে ধরে রাখতে চেয়েছিলাম । আজ দেখছি আমি তোমার পথে বাধা হয়ে গেছি এবং সেটা সরানোর দায়ভার টাও আমিই নিলাম।

Tag Ignores:
Bangla Love SMS. Huge collection of Love SMS, Love Quotes, Love sms for husband or wife, Latest love sms, Bangla Love Messag,. Huge collection of Love Message, Love Quotes, Love Message for husband or wife, Latest love Message etc.
Read More

২৫ জুলাই ২০১৬

Dilip Poddar

ছেলে বা মেয়ে সন্তান নিন নিজের ইচ্ছায় ( কঠোর ভাবে বিবাহিতদের জন্য)

নিজের ইচ্ছায় ছেলে বা মেয়ে সন্তান লাভ ! ( কঠোর ভাবে বিবাহিতদের জন্য)

সতর্কতাঃ এই লেখায় নারী পুরুষের যৌনতার অনেক বিষয় খোলামেলা আলোচনা করা হয়েছে , এটা চিকিৎসা বিষয়ক জ্ঞান তাই কোনো ভাবেই এই লেখাকে অশ্লিলতার আওতায় আনা যাবেনা । এবং এই লেখা কঠোর ভাবে বিবাহিতদের জন্য , এ বিষয়ে সকল পাঠক পাঠিকার সহানুভুতি কাম্য

দম্পতির সন্তান না হলে যেমন বিড়ম্বনা তেমনি কোন কোন ক্ষেত্রে ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান হলেও বিড়ম্বনা । পুরুষের কোষে X ও Y ক্রোমোজোম এব্ং মেয়েদের কোষে X ও X ক্রোমোজোম থাকে । পুরুষের X ও মেয়েদের X মিলে হয় মেয়ে সন্তান (XX ) আর পুরুষের Y ও মেয়েদের X মিলে হয় পুত্র (XY) সন্তান , স্ত্রীর ডিম্ব ( ওভাম ) বেরিয়ে আসার সময় ও জরায়ুর ভিতর শুক্রকিট ( স্পার্ম ) প্রবেশের সময় এই দুটির মধ্যে ছেলে কিংবা মেয়ে সন্তান জন্মের একটি সুন্দর সম্পর্ক আছে । এর উপর ভিত্তি করেই মার্কিন গবেষক ডাঃ ল্যানড্রুম বি শ্যাটলস ও ডাঃ জন রক নিজের ইচ্ছায় ছেলে বা মেয়ে সন্তান জন্মাবার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন । আপনি যদি ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান চান তাহলে এই লেখাটি আর আপনার ইচ্ছা যথেষ্ঠ । এই পদ্ধতিতে সফলতার হার ৯০ % । আপনার স্বপ্ন এবার সত্যি হবে ।

চলুন শুরু করি -

টেকনিকঃ একজন পুরুষ যখন একজন মেয়ের সাথে সেক্স করে , তখন পুরুষের চরম অবস্থায় বির্যের সাথে লক্ষ লক্ষ শুক্রকিট মেয়ের জরায়ুতে নির্গত হয় ! এখান থেকে যে কোনো একটি শুক্রকিট মেয়ের ফ্যালোপিয়ান টিউবে অবস্তিত ডিম্বের সাথে নিষিক্ত হয় ! মেয়েদের যেহেতু একই রকম (XX) ক্রোমোজোম থাকে তাই সন্তান মেয়ে বা ছেলে হওয়ায় তাদের কোনো হাত নেই , এটা নির্ভর করে পুরুষের উপর , কারন মেয়ের X এর সাথে পুরুষের X মিললে মেয়ে বাচ্চা ও মেয়ের X এর সাথে পুরুষের Y মিললে ছেলে বাচ্চা হবে !

এখন আমাদের এমন টেকনিক অবলম্ভন করতে হবে যাতে আমরা ছেলে সন্তান চাইলে পুরুষের একটি Y গিয়ে মেয়ের X এর সাথে মিলিত হয় আর মেয়ে সন্তান চাইলে পুরুষের একটি X গিয়ে মেয়ের X এর সাথে মিলিত হয় ।

বিজ্ঞানিরা গবেষনা করে দেখেছে যে জরায়ুর পরিবেশ এসিডিক হলে পুরুষের X শ্রুক্রকিট মেয়ের ডিম্বের সাথে আগে মিলিত হয়ে মেয়ে সন্তান আর জরায়ুর পরিবেশ ক্ষারীয় হলে পুরুষের Y শ্রুক্রকিট মেয়ের ডিম্বের সাথে আগে মিলিত হয়ে ছেলে সন্তান হয় !!

সাথে আরো কিছু নিয়ম পালন করতে হয় ! আসুন বিস্তারিত জানি ।

যদি মেয়ে বাচ্চা পেতে চানঃ

@ স্ত্রীর ডিম্বোস্ফোটনের আগে ৪ দিন ও পরে ৪ দিন মোট ৮ দিন বাদে সারা মাস যৌন সঙ্গম চালাবেন । @ প্রতিবার সঙ্গমের আগে স্ত্রীর যোনিতে এসিডিক সল্যুসনের ডুস দিন @ স্ত্রী যেনো কিছুতেই পুরুষের আগে অর্গাজমে ( চরমপুলক ) না যায় । পুরুষ আগে বীর্যপাত করবে ও অর্গাজম লাভ করবে । পুরুষের পর স্ত্রী আর্টিফিসিয়াল পদ্ধতিতে অর্গাজমে যাবে @ স্বামী বির্যপাতের সময় তার লিঙ্গ যোনির ভিতরে প্রবেশ করাবে না শুধু যোনি মুখের সম্মুখ্ভাগে বির্যপাত করবে । লিঙ্গের মাথা প্রবেশ করালেই হবে । @ স্বামী , সঙ্গমের দিনগুলোতে দিনে হস্তমৈথুনের মাধ্যমে ২/৩বার বির্যপাত করে শুক্রের সংখ্যা কমিয়ে আনবে ! @ কারো টেনশন থাকা চলবেনা @ স্ত্রী গর্ভবতী হলে এই নিয়ম আর পালনের প্রয়োজন নাই !

যদি ছেলে বাচ্চা পেতে চানঃ

@ডিম্বোস্ফোটনের দিন বা ডিম পরিপক্ক হওয়ার খুব নিকট সময় টানা ৩ দিন ধরে সঙ্গম করবেন , ৩ দিন ছাড়া আর সঙ্গম করা যাবেনা । কনডম পরেও না । @ প্রতিবার সঙ্গমের পুর্বে স্ত্রীর যোনির ভিতরে ক্ষারীয় স্যলুসন ডুস দিতে হবে । @ স্বামী যেনো কিছুতেই স্ত্রীর আগে অর্গাজমে না যায় , স্বামীর বীর্যপাতের আগেই স্ত্রীর অর্গাজম হয়ে যেতে হবে । @ স্ত্রীর চরমানন্দের/অর্গাজমের পরপরই স্বামীর লিঙ্গ যোনিপথের যত গভীরে সম্ভব প্রবেশ করিয়ে বীর্যপাত করতে হবে । @ ঐ ৩ দিন সঙ্গম ছাড়া স্বামীর কোনো ভাবেই সঙ্গম বা হস্তমৈথুনের মাধ্যমে বির্যপাত ঘটানো যাবেনা । @ প্রতিবার সঙ্গমের আগে স্বামীর , খুব কড়া ২/৩ কাপ ক্যাফেইন ড্রিংকস ( চা , কফি ইত্যাদি ) পান করতে হবে @ স্বামীকে সঙ্গমের ১০/১২ দিন আগে থেকেই দৌড়-ঝাপ, ফুটবল , টেনিস , অনেকদুর সাইকেল চালানো ইত্যাদি শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করা যাবেনা ও ঢিলেঢালা সুতির পোষাক পরতে হবে । @ কারো টেনশন থাকা চলবেনা @ স্ত্রী গর্ভবতী হবার পর আর এই নিয়ম মানার প্রয়োজন নাই ।

বিঃদ্রঃ এই পোস্টে/লেখায়/নোটে বর্নিত পদ্ধতি লেখকের নয় । মার্কিন গবেষক ডাঃ ল্যানড্রুম বি শ্যাটলস ও ডাঃ জন রক দ্বয়ের গবেষনার ফল , এর সফলতার ও ব্যার্থতার দ্বায়ভার তাদের ! এই পদ্ধতির আংশিক বা সম্পুর্ন দ্বায় - দ্বায়িত্ব লেখক বহন করবে না । তাই যারা এই পদ্ধতি ফলো করবেন তারা নিজ দায়িত্বে করুন ! তবে বর্নিত পদ্ধতির কোনো বিষয় বুজতে সমস্যা হলে লেখকের সাথে সবাসরি বা ফেসবুকে মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে ।

Read More

২২ জুলাই ২০১৬

Dilip Poddar

ফেসবুকে বেশি সময় থাকলে যে শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে

ফেসবুকে বেশি সময় থাকলে যে শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে
ফোনে দু-মিনিট কথা বলে নিলে যেখানে ঝামেলা চুকে যেত, তা না করে টেক্সটিং চলতে থাকে অবিরাম ৷ উত্তর পেতে দেরি হলে বাড়ে স্ট্রেস৷ আবার মুখোমুখি কথা না বললে হাবে-ভাবে, গলার স্বরে, চোখের চাহনিতে যে ভাবের আদান-প্রদান, তার সুখ বা সুবিধে পাওয়া যায় না বলে ভুল বোঝাবুঝি, টেনশন বাড়লেও অনেক সময় তা অধরা থেকে যায়৷ তা থেকেও স্ট্রেস হতে পারে৷ কাজের দুনিয়াতেও তাই৷ মেইলে গুরুতর থেকে সাধারণ মতের আদান-প্রদান৷ কথার বিকল্পে টেক্সটিং৷ ঘুমের সময়ও খোলা থাকে হোয়াটস অ্যাপের দরজা৷ ফলে ৮-৯ ঘণ্টার কাজের সময় এগোতে এগোতে ১২-১৪ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যায়৷ টান পড়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কে৷ আবার যাঁর টেকনোলজি ফোবিয়া আছে, এতো কিছুর সঙ্গে মানিয়ে চলা সম্ভব হয় না তাঁর পক্ষে৷ তার হাত ধরে বাড়ে তাঁর স্ট্রেস ও উদ্বেগ৷ সাম্প্রতিক গবেষণা বলে ডিজিটাল স্ট্রেসের সব চেয়ে বড়ো কারণ হলো টেকনোলজি ফোবিয়া৷ সবাই সব কিছু শিখে নিল, আর আপনি পিছিয়ে রইলেন এই মনোভাব থেকে মারাত্মক স্ট্রেস হতে পারে৷ এই স্ট্রেস কাটাতে চাইলে প্রথমেই বুঝে নিন, যে ব্যাপারগুলো কঠিন কিছু নয়৷ চাইলেই শিখতে পারবেন৷ কিন্ত্ত এতটুকু চাইবেন বা আদৌ চাইবেন কিনা সেটা আপনার ব্যাপার৷ সব চেয়ে ভালো হয় কাজের বা আনন্দের জন্য যতোটুকু দরকার, ততোটুকু শিখে নিলে৷ ট্রেন্ডি হওয়ার লোভে বাজারে আছে বলেই লেটেস্ট মোবাইল বা আইপড কিনে হাবুডুবু খেয়ে কাজ নেই৷ দরকার নেই সব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে নাম লেখানোরও৷ তার চেয়ে পুরোনো ধাঁচে জীবনকে উপভোগ করার চেষ্টা করলেই বরং ভালো হবে৷ ভারচুয়াল নয়, বাঁচুন রিয়েল ওয়ার্ল্ডেঃ আসল জগত্‍ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেবেন না৷ টেকনোলজির বাইরেও নিজেকে ছড়িয়ে দিন৷ টেকনোলজির সৃষ্টি হয়েছে জীবনযাপন সহজ করার জন্য৷ কিন্ত্ত তার বদলে যদি জীবন কঠিন হয়ে যায়, মানসিক অশান্তি শুরু হয়, বুঝতে হবে আপনি ব্যাপারটাকে হ্যান্ডেল করতে পারছেন না৷ কাজেই আজ থেকেই নিয়ম করে কাজের সময় ও ব্যাক্তিগত সময়কে আলাদা করে নিন৷ কলিগদের জানিয়ে দিন যে একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর আর আপনাকে পাওয়া যাবে না৷ প্রয়োজনে একটাআলাদা ফোন রাখুন যেখানে নেহাত্‍ ইমার্জেন্সি ছাড়া কেউ ফোন করবেন না৷ রিল্যাক্সেশনের সময়ে ই-মেল বা টেক্সট পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব না হলে চেষ্টা করুন নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে চেক করতে৷ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ই-মেলে না করে সামনাসামনি বসে করুন৷ কম সময়ে, ভুল বোঝাবোঝি এড়িয়ে সমাধানে পৌঁছোতে পারবেন৷ ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও টেক্সিং বা মেলের চেয়েঅনেক দামী হলো সামনে বসে কথা বলা৷ কোথায়, কখন মিট করবেন বা কী নিয়ে আলোচনা হবে তা ঠিক করতে না হয় টেকনোলজির সাহায্য নিন, কিন্ত্ত মূল কথাবার্তা হোক মুখোমুখি বসে৷ এতে স্ট্রেস কমবে৷ সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে৷ হপ্তাহান্তে এক দিন বা অন্তত এক বেলা টেকনোলজির সঙ্গে যথাসম্ভব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে যা করতে ভালোলাগে তাই করুন৷ জিমে গা না ঘামিয়ে খোলা জায়গায় মর্নিং ওয়াক করুন৷ কানে আইপডের তার না গুঁজে ভোরের আওয়াজকে আপন করে নিন৷ ফ্যামিলি টাইম ও মি-টাইমের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ নয়৷ একঘণ্টা দু-ঘণ্টা, যতোটুকু সময়ই রাখুন এ বাবদ, তা যেন কম্পিউটার বা মোবাইল ফ্রি থাকে যথাসম্ভব৷ নেটে পড়াশোনা করার পাশাপাশি বই পড়াও বই পড়াও বজায় রাখুন৷ বিছানায় যাওয়ার অন্তত দু-এক ঘণ্টা আগে থেকে নেট, মোবাইল সব বন্ধ করে দিন৷ অনিদ্রার হাত থেকে মুক্তি পাবেন৷ কাজের খুব ক্ষতি হয়তো হবে না তাতে৷ মনে রাখুনঃ ১ .মূল কথাবার্তা হোক মুখোমুখি বসে৷ এতে স্ট্রেস কমবে ২. ফ্যামিলি টাইম ও মি-টাইমের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ নয় ৩. নেটে পড়াশোনা করার পাশাপাশি বই পড়াও বজায় রাখুন ৪. বিছানায় যাওয়ার অন্তত দু-এক ঘণ্টা আগে থেকে নেট, মোবাইল সব বন্ধ করে দিন ৫. অন্তত এক বেলা টেকনোলজির সঙ্গে যথাসম্ভব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে যা করতে ভালোলাগে তাই করুন
Read More
Dilip Poddar

ডায়াবেটিস হলে ত্বকের সমস্যা ও তার সমাধান দেখে নিন

সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যাদের ডায়াবেটিস আছে এবং যারা এই রোগের দ্বার প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন তাদের মধ্যে ত্বকের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
ডায়বেটিস এবং ত্বকের উপর এর প্রভাব নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আমাদের দেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গ হল ত্বক। যা সমগ্র দেহকে আবরণ দেয়। বিশাল এই অঙ্গের ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন রূপে সংক্রামণ দেখা দিতে পারে।

কেনো এই ত্বকের সমস্যা

ভারতীয় চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. অপ্রতীম গোয়েল জানান, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা চর্ম রোগে ভোগেন। গরমকালে এই রোগের প্রকোপ বেশ বেড়ে যায়।

গরম এবং আর্দ্রতার কারণে সবারই কম বেশি চর্মরোগ হতে পারে। তবে যারা বহুমূত্ররোগগ্রস্ত তাদের ডায়াবেটিসও একটা কারণ। অপরদিকে ডায়াবেটিসের কারণে ক্ষতও সহজে শুকায় না। তাই সমস্যা জটিল আকার ধারণ করে। এছাড়াও যাদের দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস আছে তাদের ত্বক অন্যদের থেকে শুষ্ক হয়ে যায় এবং চুলকানির সমস্যা দেখা যায়।

ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ড. প্রদীপ গাজী বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন এভাবে, “রক্তে থাকা উচ্চ মাত্রার শর্করা ছত্রককে ত্বকে বসবাস করার মতো উপযুক্ত পরিবেশ দেয়। ফলে ত্বকে ছত্রাক ও অন্য রোগ জীবাণুরা বসবাসের সুযোগ পায়।” 

ড. গাজী আরও জানান, রক্তের শর্করার পরিমাণ যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তবে ত্বকের সিবেইসাস ও ঘাম গ্রন্থিতে প্রভাব ফেলে। ফলে হাত ও পা চুলকায়। যা পরে ছত্রাকের বসবাসের স্থান তৈরিতে সহায়তা করে।

চিকিৎসা

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়মিত ত্বক পরীক্ষা করে দেখতে হবে হবে। প্রতিদিন দেখতে হবে ত্বকে কোনো ঘামাচি, ফোড়া, ফুসকুড়ি ধরনের কিছু হয়েছে কি-না।

বিশেষ করে ত্বকের যেসব জায়গায় ইনসুলিন দেওয়া হয় সে সব জায়গায়।

চর্মরোগ থেকে বাঁচতে হলে রক্তের শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এটাই সর্বোত্তম পন্থা। তাছাড়া ডায়াবেটিকদের স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করার মতো সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে।

এতেও যদি কাজ না হয় তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে।

ড. গোয়েল বলেন, “নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিলে ডায়াবেটিস ঘটিত ত্বকের সমস্যা দূরে রাখা যায়।”


Read More
Dilip Poddar

ডায়াবেটিস মাত্র ৩০ দিনে নিয়ন্ত্রন করুন।

ডায়াবেটিস মাত্র ৩০ দিনে নিয়ন্ত্রন করুন।

ডায়াবেটিস মাত্র ৩০ দিনে নিয়ন্ত্রন করুন।


ডায়াবেটিস, ডায়েবেটিস, ডায়বেটিস, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করুন,

সারা বিশ্বে ডায়াবেটিস একটি বড় সমস্যা। ডায়াবেটিস হলে ওষুধের পাশাপাশি খাওয়াদাওয়ার মাধ্যমে শরীরের শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো শরীরের শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখে এবং ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলো প্রতিদিন খাওয়া প্রাকৃতিকভাবেই ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। এগুলো ৩০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে খাবারগুলোর কথা। ডায়াবেটিস, ডায়েবেটিস, ডায়বেটিস, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করুন,

কাঠবাদাম :- কাঠবাদাম ডায়াবেটিক রোগীর জন্য পরম বন্ধু। এই খাবারে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ এবং প্রোটিন; যা ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে ৩০ দিনে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ডায়াবেটিস, ডায়েবেটিস, ডায়বেটিস, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করুন,

গ্রিন টি :- গ্রিন টির মধ্যে রয়েছে ফিটোনিউট্রিয়েন্টস যেমন : ক্যাটাচিন এবং ট্যানিন্স। এগুলো রক্তের শর্করার ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে। তাই দিনে দুই বেলা গ্রিন টি পান করলে ৩০ দিনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। ডায়াবেটিস, ডায়েবেটিস, ডায়বেটিস, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করুন,

আপেল :- বলা হয়, প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়া রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। এটি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস কমাতে কাজ করে। এ ছাড়া এটি কোলেস্টেরলও কমায়। ডায়াবেটিস, ডায়েবেটিস, ডায়বেটিস, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করুন,


গাজর :- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গাজর অন্যতম একটি খাবার। এর মধ্যে রয়েছে বেটা কেরোটিন। এই কমলা রঙের সবজিটিতে কম পরিমাণ শর্করা রয়েছে, যা শরীরের ইনসুলিনের মাত্রাকে ঠিক রাখতে বেশ কার্যকর।

মাছ :- ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ মাছ খাওয়া ডায়াবেটিসের জন্য ভালো। এটা ইনসুলিনের মাত্রা কমায়। সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই জাতীয় মাছ খেতে হবে।

জলপাইয়ের তেল :- বর্তমানে অনেকেই রান্নায় জলপাইয়ের তেল ব্যবহার করেন। এর মধ্যে রয়েছে ভালো মানের চর্বি; যেটা ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত জলপাইয়ের তেল খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ডায়াবেটিস, ডায়েবেটিস, ডায়বেটিস, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করুন,

সাইট্রাস ফুড :- সাইট্রাস খাবারের মধ্যে কমলা অন্যতম। এর মধ্যে থাকা ফিটোনিউট্রিয়েন্টস ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। এ ছাড়া কমলার মধ্যে রয়েছে ফ্ল্যাবোনয়েডস, ক্যারোটিনয়েডস, টারপিন, প্যাকটিনস ইত্যাদি। এগুলো শরীরের জন্য বেশ উপকারী।

ওটস :- ওটসের মধ্যে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট; যা রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই নিয়ম করে ৩০ দিন ওটস খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে।

Read More
Dilip Poddar

ঠিকমতো ঘুম না হলে যে ৬ টি শারীরিক সমস্য হতে পারে।

ঘুম, ডায়বেটিস, শারীরিক সমস্য, কম ঘুম,
ঠিকমতো ঘুম না হলে যে ৬ টি শারীরিক সমস্য হতে পারে।


রাতে ছয় ঘণ্টার কম ঘুম হয় এমন মানুষদের এক-চতুর্থাংশ কার্ডিওভাসকুলার সমস্যায় ভোগেন। ‘স্লিপ’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। তাদের ধমনীতে রক্ত চলাচলে বাধা, দুর্বল বোধ করাসহ দুর্বল হার্টবিটের সমস্যা হতে পারে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়।



হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের গবেষকরা জানাচ্ছেন ঘুমের সমস্যায় শরীরে যে ৭ ধরনের প্রভাব পড়তে পারে তার বিষয়ে।

১. রিফ্লেক্স : টানা ২৪ ঘণ্টা নির্ঘুম কাটালে মস্তিষ্কের কগনিটিভ মোটরের দশা এমন হয় যেন মানুষটি অ্যালকোহল খেয়েছেন। এ সময় মধ্যম ক্যাফেইনযুক্ত এক কাপ কফি খেয়ে ২০ মিনিট ঝিমিয়ে নিন। লগবোরোহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় গাড়িচালকদের এ সমস্যায় সাবধান থাকতে বলা হয়েছে।
২. পাকস্থলী : যারা অভ্যাসগতভাবে দিনে ৫ ঘণ্টা ঘুমান তাদের পাকস্থলীতে লেপটিন হরমোনের পরিমাণ ১৫.৫ শতাংশ কমে যায়। এটি আপনাকে ভরপেট অনুভব করতে সহায়তা করে এবং ফ্যাট সঞ্চয়ের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে। ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিনের গবেষণায় এসব তথ্য জানানো হয়।

৩. কোমর : স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, যারা রাতে মাত্র ৫ ঘণ্টা ঘুমান তাদের বডি ম্যাস ইনডেক্স গড়ের চেয়ে ৩.৬ শতাংশ বেশি থাকে। তাদের মাঝে স্থূলতা দেখা দেয়। বিশেষ করে কোমরে চর্বি জমে যায়।
৪. রক্তচাপ : যারা ৬ ঘণ্টার কম ঘুমান তাদের সিসটোলিক বিপি ১৩২-এ উঠে যায়। এর স্বাভাবিক মাপ ১২০ এর কম। ঘুমের অভাবে কর্টিসল হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায় যাকে স্ট্রেস হরমোন বলা হয়। ঘুম, ডায়বেটিস, শারীরিক সমস্য, কম ঘুম,
৫. অগ্ন্যাশয় : রাতে গড়ে ৬ ঘণ্টা ঘুমের কারণে পুরুষদের ডায়াবেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। ইয়েল ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
৬. মস্তিষ্ক : টানা তিন দিন ধরে দিনে ১৯ ঘণ্টা করে জেগে থাকলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মরে যাওয়া শুরু করে। পশুদের ওপর করা এই গবেষণায় এমন ফলাফল পাওয়া গেলেও বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষেত্রেও তাই হবে। এ সমস্যায় আলঝেইমার এবং ডেমেনশিয়া হতে পারে এমন প্রোটিনকে পরিষ্কার করতে পারে না মস্তিষ্ক।

Read More
Dilip Poddar

ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য রোগে টক দই।

ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য রোগে টক দই।
ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য রোগে টক দই।


দুধ একটি আদর্শ খাবার। দুধ হতে দই, মাখন ,ঘি, পনির ইত্যাদি মুখরোচক খাবার তৈরী হয়।তবে এই খাবারগুলোর খাদ্যমান দুধের মান বজায় থাকে বা কিঞ্চিত অপরিবর্তিত হয়। দই ঠিক তেমন একটি খাদ্য যাতে দুধের সকল গুণাবলী বিদ্যমান সাথে আরো কিছু বাড়তি বৈশিষ্ট বিদ্যমান যা নিয়মিত খেলে এমন কিছু common diseases আছে যেগুলা থেকে দূরে থাকা যায় এবং health এর এমন কতকগুলো অঙ্গ আছে যেগুরা সুস্থ ও সবল রাখতে কার্য
করী ভূমিকা পালন করে। চলুন জানা যাক দই খেলে কি কি উপকার হয়?

১.দই খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও কোলন ক্যান্সার কমায় খুব কম হয়।কারণ দইতে আছে ল্যাকটিক অ্যাসি


২. দই খেলে হজম খুব ভালো হয়।

৩. হাঁড় ও দাঁত মজবুত রাখতে টক দই খান।কারণ টক দইতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ আছে।যেগুলো খুবই প্রয়োজনীয়।

৪. যে দইতে ফ্যাট কম আছে এমন টক দই খান।দেখবেন রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ‘এলডিএল’ কমে যাবে।

৫. দইতে যে আমিষ বিদ্যমান তা দুধের চেয়ে খুব কম সময়ে হজম হয়।যাদের দুধে সমস্যা তার দই খেতে পারেন।

৬.টক দই রক্ত পরিশোধন করতে সাহায্য করে। দেহের রক্ত পরিশোধনে টক দইয়ের জুড়ি নাই।

৭. যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা নিয়মিত টকদই খান।এত করে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

৮. যাদের ডায়াবেটিস ,হার্টের অসুখ আছে তারা নিয়মিত টক দই খান। দেখবেন ডায়াবেটিস ,হার্টের অসুখ নিয়ন্তওনে আসবে।

৯. নিয়মিত টক দই খেলে শরীরে টক্সিন জমে।অন্ত্রনালী পরিষ্কার রেখে শরীরকে সুস্থ রাখে ও বুড়িয়ে যাওয়া বা অকাল বার্ধক্য রোধ করতে সাহায্য করে। দেখবেন শরীরে টক্সিন কমার কারণে ত্বকের সৌন্দর্যও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।

১০ যাদের ওজন বেশি তার টক দই খান।কারণওজন কমাতে কম ফ্যাটযুক্ত ও চিনি ছাড়া টক দই খুবই কার্যকরী।

Read More
Dilip Poddar

১১ দিনে ডায়েবেটিস একেবারে সেরে যাবে।

১১ দিনে ডায়েবেটিস একেবারে সেরে যাবে।
১১ দিনে ডায়েবেটিস একেবারে সেরে যাবে।




ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল করা যায়, কথাটি শুনলে যে কারোই ভড়কে যাবার কথা, কারণ ডায়াবেটিস একবার দেহে বাসা বাধলে তা কখনোই পরিপূর্ণ ভাবে সারে না, তবে পরিমিত পরিমান খাবার গ্রহন করে তা নিয়ন্ত্রনে রেখে দীর্ঘদিন সুস্হ থাকা সম্ভব, কিন্তু বৃটেনের বিজ্ঞানী রিচার্ড ডটির দাবী মাত্র ১১ দিনের মধ্যেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

বৃটেনের রিচার্ড ডটি (৫৯) নামের এক ব্যক্তি বেশ অল্প ক্যালোরিসম্পন্ন খাবার খেয়ে ১১ দিনেই ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি কি খাবার খেয়ে এটা করতে পেরেছেন তার একটি চার্ট প্রকাশ করেছেন। যা যা খেতেন, তার তালিকা একেবারেই ছোট। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা কখনও সম্পূর্ণ নির্মূল হয় না। এমন প্রচলিত ধারণাকে পাল্টে দিয়েছেন রিচার্ড। মানুষ শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে বিভিন্ন ডায়েট পরিকল্পনা করে। কিন্তু তিনি প্রায় অভুক্ত থাকার ডায়েটেই নিরোগ শরীর পেলেন। রিচার্ড লম্বায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, তার ওজন ৬৭ কেজি। রুটিনমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান তিনি। শেষবার যখন পরীক্ষা করালেন, ফলাফলে রীতিমতো চমকে উঠলেন তিনি। রিপোর্টে জানা গেলো, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। রিচার্ডের বংশে কারও ডায়াবেটিস ছিল না। তার ওজনও অতিরিক্ত নয়। তিনি সবসময় সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন। জীবনে কখনও সিগারেট স্পর্শ করেননি। এত সব সত্ত্বেও ডায়াবেটিস ধরা পড়লে যে কারও চোখই কপালে উঠবে। রিচার্ডেরও তা-ই হলো। তিনি রীতিমতো কিংকর্তব্যবিমূঢ়। ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে এবার শুরু হলো তার নিরন্তর প্রচেষ্টা। ইন্টারনেটে সমাধান খুঁজলেন। নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের তৈরি করা একটি স্বল্প ক্যালোরিসম্পন্ন ডায়েটের সন্ধান পেলেন তিনি।

ওই বিজ্ঞানীদের দাবি, এ ডায়েট অনুসরণে ৮ সপ্তাহেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল সম্ভব। ওই ডায়েটের মধ্যে ছিল ৬০০ ক্যালোরির মিল্ক শেক ও সুপ এবং ২০০ ক্যালোরির সবজি। আর দিনে ৩ লিটার পানি পান। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই। রিচার্ড জানান, একটা সুপ, দু’টো শেক আর সবুজ শাকসবজি খেয়ে বেঁচে থাকাটাকে প্রথম দিকে বেশ দুঃসাধ্য কাজ মনে হয়েছিল তার কাছে। তবে তিনি হাল ছাড়লেন না। টানা ১১ দিন এ ডায়েট অনুসরণ করলেন। অকল্পনীয় হলেও সত্যি! তার রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে গেল। অর্থাৎ নন-ডায়াবেটিক লেভেলে নেমে এলো ব্লাড সুগার। এ সময়টায় রিচার্ডের ওজন কমেছিল। এরপর তিনি ফের ডায়াবেটিস পরীক্ষা করে দেখলেন তার শরীর থেকে ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে। দীর্ঘদিন পরও তিনি একেবারেই ডায়াবেটিসমুক্ত। আর ওজনটাকে তিনি ৫৭ কেজির মধ্যেই ধরে রেখেছেন। রিচার্ড ডটির এ সাফল্য নিঃসন্দেহে বিশ্বের কোটি কোটি ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষকে নতুন পথের সন্ধান দেবে। একই বা কাছাকাছি পথ অনুসরণ করে অনেকেই হয়তো নিরোগ জীবন ফিরে পাবেন। তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট

Read More
Dilip Poddar

ঘুম ঠিকমতো না হলে যে ভয়নক রোগগুলি হয়।

ঘুম ঠিকমতো না হলে যে ভয়নক রোগগুলি হয়।

ঘুম ঠিকমতো না হলে যে ভয়নক রোগগুলি হয়।


শিল্পোন্নত দেশগুলোর অন্তত দশ শতাংশ মানুষ ঘুমের সমস্যায় ভোগে৷ অথচ সুস্থভাবে জীবনযাপনের জন্য নিয়মিত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ পর্যাপ্ত ঘুম না হলে কী হতে পারে, তা গবেষণা করেছেন বিজ্ঞানীরা৷
নিদ্রাহীনতা নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণা-
বুধবার ভোর, ছয়টার মতো বাজে৷ ডানিয়েলা স্পেট বিছানা ত্যাগ করছেন৷ আগামী ৩৬ ঘণ্টা না ঘুমিয়ে থাকবেন তিনি৷ এটা একটা পরীক্ষা, যাতে স্বেচ্ছায় অংশ নিচ্ছেন তিনি৷ পেশায় সাংবাদিক ডানিয়েলা স্পেট এই বিষয়ে বলেন, ‘‘আমি ঘুমাতে ভালোবাসি৷ ফলে লম্বা সময় জেগে থাকাটা আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে৷ এমন নয় যে আমি কখনো রাত জাগিনি৷ কিন্তু তখন সকালে ঘুমিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নিয়েছি৷ তবে এবার আমি সকালেও ঘুমাবো না৷ চেষ্টা করবো কাল সন্ধ্যা অবধি সজাগ থাকতে৷ শরীরের উপর বেশিক্ষণ জেগে থাকার প্রভাব দেখতে চাই৷”
আচ্ছা আমরা ঘুমাই কেন? ঘুমের কি তেমন কোনো প্রয়োজন আছে? এ নিয়ে গবেষণা হলেও এখনো তার ফলাফল সেভাবে পাওয়া যায়নি, আসল কারণ অনেকটা অন্ধকারেই রয়ে গেছে৷ একথা বলেন ডাক্তার হান্স গ্যুন্টার ভেস, যিনি এক স্লিপিং ল্যাবোরেটরির প্রধান৷ তিনি আরো বলেন, ‘‘তবে যা আমরা সবাই জানি সেটা হলো, রাতে কারো ঘুম না হলে তার মধ্যে পরদিন সকালে ক্লান্ত ভাব, কাজে অমনোযোগী ও অল্পতে রেগে যাওয়া, এসব লক্ষণ দেখা দেয়৷’’
ঘুম বিশেষজ্ঞ ড. লেনার্ট ক্নাক গবেষণার দায়িত্ব নিয়েছেন৷ এই চিকিৎসক সাধারণত তাঁর রোগীদের ভালোভাবে ঘুমাতে সহায়তা করেন৷ তবে এবার বিপরীতটা জানতে আগ্রহী তিনি৷ ইচ্ছাকৃতভাবে না ঘুমানোর মাধ্যমে তা জানা যেতে পারে৷
স্বাভাবিক অবস্থায় পরীক্ষা
ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার পরিণতি জানতে ড. ক্নাক শুরুতে ডানিয়েলাকে স্বাভাবিক অবস্থায় পরীক্ষা করছেন৷ তিনি অনিয়মিত সিগন্যাল দেখতে এতটা সময় নিচ্ছেন তা মাপা হচ্ছে৷ দশ মিনিটের পরীক্ষা৷ এই বিষয়ে ড. ক্নাকে বলেন, ‘‘স্বাভাবিক অবস্থার ফলাফল বেশ ভালো এসেছে৷ তবে আগামীকাল একই পরীক্ষায় কী ফলাফল আসে তা আমি দেখতে আগ্রহী৷ এরপর দুটো ফলাফল তুলনা করবো৷”
না ঘুমিয়ে থাকা
একটানা ষোল ঘণ্টা না ঘুমিয়ে থাকা কোনো ব্যাপার নয়৷ অধিকাংশ মানুষই এই সময়টা না ঘুমিয়ে কাটায়৷ তবে দুপুরে খাওয়ার পর অনেকের ঘুম আসে৷ সন্ধ্যায় বেড়াতে যাওয়া, কফি পান আর ছবি দেখে ঘুম থেকে দূরে থাকা যায়৷ কিন্তু তারপর? ডানিয়েলা কিন্তু না ঘুমিয়ে থাকতে বদ্ধপরিকর৷ তিনি বলেন, ‘‘এখন প্রায় ভোর চারটা বাজে৷ আমি জেগে থাকার জন্য আর কী করবো তা ভেবে পাচ্ছি না৷ তবে আমি সজাগ থাকবোই৷”
পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন
গত ত্রিশ ঘণ্টা ধরে না ঘুমিয়ে আছেন ডানিয়েলা৷ তাঁকে দেখলেই সেটা বোঝা যাচ্ছে৷ তাঁর এখন ঘুম দরকার৷ শরীরের যাবতীয় কার্যকলাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে, শক্তি ফিরে পেতে এটা দরকার৷
ঘুমে ব্যাঘাত ঘটলে মানুষ নানা রকম ভুল করতে পারে, অসুখ হতে পারে, দুর্ঘটনা ঘটতে পারে৷ যে নিয়মিত কম ঘুমায় তার স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে৷ ড. লেনার্ট ক্নাক এর কথায়, ‘‘ঘুমের অভাবে শরীরে মূলত দু’ধরনের বড় জটিলতা দেখা দিতে পারে৷
প্রথমত হৃদযন্ত্রে সমস্যা, মাথা ব্যথা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা স্ট্রোক হতে পারে৷ দ্বিতীয়ত বিষণ্ণতা এবং ভয়ের প্রবণতা বাড়তে পারে কম ঘুমের কারণে৷”
সজাগ শুয়ে থাকা
আবারও পরীক্ষা৷ ডানিয়েলাকে এবার একটি অন্ধকার ঘরে বিশ মিনিট সজাগ শুয়ে থাকতে হবে৷ এই টেস্টে যে পাশ করবে, সে হয়তো গাড়িও চালাতে পারবে৷ কিন্তু পাঁচ মিনিট পরেই মনিটরের সিগন্যালে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেছে৷ ডানিয়েলা ঘুমিয়ে পড়েছে৷ অথচ রিঅ্যাকশন টেস্ট তখনো বাকি৷ তাই তাঁকে ঘুম থেকে তুলতে হলো৷ এই পরীক্ষায় প্রথমবার ডানিয়েলা গড়ে ২২০ মিলিসেকেন্ডে সাড়া দিয়েছিল৷ কিন্তু এখন?
ড. ক্নাক বলেন, ‘‘গতকালের তুলনায় দ্বিগুণের চেয়েও বেশি আস্তে সাড়া দিচ্ছেন ডানিয়েলা৷ আমাদের মনে হয় পরীক্ষায় ইতি টানা উচিত৷ কারণ এর চেয়ে খারাপ ফলাফল আর হতে পারে না৷”
পরিকল্পিত সময়ের এক ঘণ্টা আগেই ডানিয়েলা স্পেট এর পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে৷ ৩৫ ঘণ্টা না ঘুমিয়ে থাকা একটা অভিজ্ঞতা বটে৷
মধ্যবয়সি নারীদের ঘুমের সমস্যা বেশি…….
মধ্যবয়স্ক নারীদের মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশের ঘুমের সমস্যা রয়েছে৷ আর এই সমস্যার সঙ্গে জীবনমান, দীর্ঘস্থায়ী অসুখ এবং ওষুধের সম্পর্ক রয়েছে৷ সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে জানা গেছে এসব তথ্য৷
ফিনল্যান্ডের টুর্কু বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ড. পাইভি পোলো৷ তিনি বলেছেন, ‘‘সাধারণত আমরা ধরে নেই রজোনিবৃত্তির কারণে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় তাই রজোনিবৃত্তিই সব সমস্যার কারণ৷” ফলে চিকিৎসকরা এটি মাথায় রেখেই চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করে বলে মনে করেন পোলো৷ তিনি তাঁর গবেষণায়, ঘুমের সঙ্গে অন্যান্য জটিলতার সম্পর্ক খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন৷
সাম্প্রতিক গবেষণায় তাই ঘুম সমস্যার অন্যান্য কারণের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে৷ পোলো এবং তাঁর সহকর্মীরা তাদের গবেষণায় ৮৫০ জন মধ্যবয়সি নারীর সহায়তা নিয়েছেন৷ তাদের বয়স গড়ে ৪২ বছর৷ এই নারীদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী অসুখ রয়েছে৷ আর ২৮ শতাংশ নারী নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করেন৷
এই নারীরা প্রায়ই অভিযোগ করেন, রাতের বেলা তাদের ঘুম ভেঙে যায়৷ ষাট শতাংশের সপ্তাহে অন্তত একবার এই সমস্যা হয়৷ ষোল শতাংশ নারীর সহজে ঘুম আসে না আর বিশ শতাংশের খুব সকালেই ঘুম ভেঙে যায়৷ সপ্তাহে অন্তত একদিন এমন হয়৷
সকালবেলা ঘুমভাব কাটে না ৪২ শতাংশ নারীর আর সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব থেকে যায় ৩২ শতাংশের৷
বলাবাহুল্য, ঘুমের সমস্যা যে-কোনো বয়সি মানুষেরই হতে পারে, তবে নারীদের মধ্যে এই সমস্যা একটু বেশি৷ মাসিক ঋতুচক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হরমোনের পরিবর্তন এবং রজোনিবৃত্তিকে এজন্য কিছুটা দায়ী করা যেতে পারে, বলছেন গবেষকরা৷ তবে তারা মনে করেন, মাঝেমাঝে মদ্যপানের সঙ্গে ভালো ঘুম এবং কর্মস্থলে ঘুমিয়ে না পরার সম্পর্ক রয়েছে৷
ঘুমের সমস্যার সঙ্গে মেয়েদের ওজন এবং শারীরিক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক তেমন একটা খুঁজে পাননি গবেষকরা৷ আসলে গবেষণায় সহায়তাকারী নারীরা সবাই সাধারণ শারীরিক গঠনের অধিকারী ছিলেন৷ সম্ভবত সেকারণেই এই বিষয়টি উঠে আসেনি৷ তবে এর আগে পরিচালিত এক গবেষণায় স্থুলতার সঙ্গে নিদ্রাহীনতার সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা৷
ড. পাইভি পোলো বলেন, ‘‘ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ আমরা আমাদের জীবনের এক-তৃতীয়াংশই ঘুমিয়ে কাটাই৷ আর ঘুমের সমস্যা কোনো রোগের পূর্বলক্ষণ হতে পারে৷ মানসিক অবস্থার কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ চিকিৎসকদের এসব বিষয় মাথায় রাখতে হবে৷”
আদর্শ ঘুমের ওষুধের সন্ধানে জার্মান গবেষকরা..
ঘুমের ওষুধের পক্ষে ভালো কোনো কথাই শোনা যায় না৷ এগুলো মানুষকে আসক্ত করে ফেলে এবং এটা বর্জন করার পক্ষেই সবার মত৷ কিন্তু যাঁরা ভয়াবহ অনিদ্রা রোগে ভোগেন, তাঁদের এ ধরনের ওষুধ ছাড়া বিকল্প কোনো পথ কি আছে?
অনিদ্রা বা ইনসমনিয়া রোগী অ্যানি মেরি ডয়চে ভেলেকে জানালেন, ১৯ বছর আগে এ রোগের শুরু৷ একেবারেই ঘুমাতে পারছিলেন না তিনি৷ তিনি বললেন, যাঁদের এ অসুখ নেই তাঁরা কল্পনা করতে পারবে না এটা কতটা ভয়াবহ৷
মায়ের মৃত্যুর পরই এ অসুখ শুরু হয় মেরির৷ তাঁর মনে হতে থাকে, তিনি তাঁর মায়ের শবদেহ ছুঁয়ে বসে আছেন৷ মানুষের শরীর যে এতটা শীতল হতে পারে, এটা তাঁকে ভয়ঙ্কর আঘাত করেছিল৷ ঘুমের মধ্যে একথাটা ভেবেই একরাতে তার ঘুম ভেঙে যায়৷ সেদিন আর ঘুমাতে পারেননি তিনি৷
এরপর মেরি এক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন৷ সেদিন তিনি এতটাই কষ্টে ছিলেন যে চিকিৎসকের সামনেই কেঁদে ফেলেন৷ এখন তাঁর বয়স ৬৮৷ মেরি জানালেন, এ বিষয়ে এত চিকিৎসক আছেন, কিন্তু কেউই তাঁকে সাহায্য করতে পারেননি৷
অনেক বছর পর অ্যানি মেরির পরিবার তাঁর জন্য একটা সমাধান খুঁজে পায়৷ প্রতিরাতে তিনি এখন একটি ঘুমের ওষুধের এক তৃতীয়াংশ গ্রহণ করেন৷ দশ বছর আগে এটা শুরু করেছিলেন৷ তিনি জানালেন, এছাড়া ভিন্ন কোনো পথ ছিল না৷ তাঁর মনে হয়েছিল, হয় এটা তাঁকে খেতে হবে, নয়ত তিনি মারা যাবেন৷
দুশ্চিন্তা: ঘুমের শত্রু
জার্মানির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত রবার্ট কখ ইন্সটিটিউটের মতে, জার্মানদের ২৫ ভাগই অনিদ্রা রোগে ভুগছে৷ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেল্থ-এর সেন্টার ফর স্লিপ ডিসঅর্ডার্স রিসার্চ-এর একটি জরিপ অনুযায়ী, ১০ থেকে ১৫ ভাগ মার্কিন নাগরিক ক্রনিক ইনসমনিয়ায় ভোগেন৷
ইনসমনিয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানসিক সমস্যার কারণে হয় বলে জানালেন মাইৎস শহরের একটি হাসপাতালের ‘স্লিপিং সেন্টার’-এর পরিচালক হান্স-গ্যুন্টার ভেস৷ তিনি জানালেন, রোগীরা ভুলে যান, কিভাবে বিশ্রাম নিতে হবে৷ এর ফলে থাইরয়েডের কার্যক্রমেও সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ এসব রোগীদের ক্ষেত্রে প্রায়ই দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যাওয়া এবং চাকুরি ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা যায়৷
ঘুমের জন্য মস্তিষ্ককে জোর
স্বাভাবিকভাবে ঘুমানো যে কারো জন্য খুব ভালো৷ কিন্তু মেরির মতো যাঁরা কোনো সাহায্য ছাড়া ঘুমাতে পারেন না, তাঁদের জন্য গবেষকরা আদর্শ ঘুমের ওষুধ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন৷ এমংন এক ওষুধ, যার কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই৷
১৯৫০ সালে চিকিৎসকরা বুঝলেন, এসব ওষুধ যাঁরা গ্রহণ করছেন, তাঁরা এতে আসক্ত হয়ে পড়ছেন৷ এরপরই বাজারে এলো বেনজোডায়াসেপাইন৷ ভ্যালিয়াম এমনই একটি ওষুধ, যা এখন বেশ পরিচিত৷ যা মস্তিষ্কের জিএবিএ গ্রাহককে তাদের কাজে সাহায্য করে এবং মানুষকে ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে৷
এরপরও আরও একটি ওষুধ এসেছে যার নাম জেড ড্রাগস৷ যেমন জলপিডেম এবং জপিক্লোন৷ বেনজোডায়াসেপাইনের চেয়েও এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম৷ ইনসমনিয়ার ক্ষেত্রেই এগুলোকেই এখন সবচেয়ে কার্যকরী ওষুধ হিসেবে বলা হচ্ছে৷
স্বাভাবিক ঘুম নয়
সব ধরনের ঘুমের ওষুধ, বিশেষজ্ঞরা যাদের হিপনটিক হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন, এ সবের একটা সাধারণ দিক আছে, আর সেটা হল রোগীর ঘুমের অবস্থার পরিবর্তন৷
তারা কেবল গভীর ঘুম এবং আরইএম – ঘুমের এই দুটি পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকে৷ নতুন ঘুমের ওষুধগুলোর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম হলেও – কিছু তো অবশ্যই আছে, আর তা হলো ঘুম থেকে উঠে অবসাদগ্রস্ত হওয়া৷ এমনকি ওষুধ খাওয়ার কারণে রোগীরা মধ্যরাতে গাড়িও চালাতে পারে না৷
তবে দুই সপ্তাহের বেশি ব্যবহারের ফলে অনেক সময় এগুলোর উপর আসক্তি বেড়ে যায়, এগুলো ছাড়া আর ঘুম আসে না৷ অথবা এগুলো তেমন কাজ দেয় না৷
নতুন হিপনটিকের আশায়
ভেস অবশ্য বলছেন, ভবিষ্যতে ইনসমনিয়ায় সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে ডুয়েল অরেক্সিন রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট বা ডিওআরএ৷
গবেষকরা সম্প্রতি আবিষ্কার করেছেন, নিউরোট্রান্সমিটার অরেক্সিন দেহের সার্কাডিয়ান রিদম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মূখ্য ভূমিকা রাখে৷ দিনের বেলা অরেক্সিনের মাত্রা থাকে বেশি, যাতে সবাই জেগে থাকতে পারে৷ রাতের বেলায় অবশ্য এর মাত্রা কমে যায়, যার কারণে ঘুম আসে৷
ডিওআরএ-র অরেক্সিনের মাত্রা কমিয়ে দিলে মানুষ ঘুমাতে পারবে৷ তাই এ নিয়ে এরইমধ্যে কাজ করা শুরু করেছেন জার্মান গবেষকরা৷
ঘুমের জন্য ওষুধ নয়, দুধ……….
রাতে ঘুমানোর জন্য বিভিন্ন ধরণের ঘুমের ওষুধের কথা আমরা শুনেছি৷ বাজারে এবার এসেছে ঘুম পাড়ানি দুধ৷ এই দুধ মেলাটোনিন সমৃদ্ধ৷ রাতে শোওয়ার আগে খেলে নাকি খুব ভাল ঘুম হবে৷
জার্মানির দক্ষিণে মিউনিখ শহরের একটি কোম্পানি বাজারে এনেছে মেলাটোনিন সমৃদ্ধ দুধ৷ বলা হচ্ছে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা গরম এক গ্লাস দুধ খেলে রাতে খুব ভাল ঘুম হবে৷ আর মনে হয় ঠিক এর জন্যই অপেক্ষা করে ছিল জার্মানির হাজার হাজার মানুষ৷ কারণ, ‘রাতে ঘুম হয়নি বা খাটা-খাটনি বেশি যাচ্ছে৷ রেস্ট নেওয়ার সময় পাচ্ছি না’ – এ ধরণের অভিযোগ সারাক্ষণই শোনা যাচ্ছে৷ সেই সমস্যা সামাধানে এগিয়ে এসেছে মিউনিখের একটি কোম্পানি৷
বাভারিয়া অঞ্চলের সবুজ মাঠ, উঁচু-নিচু পাহাড় আর ফাঁকে-ফাঁকে অসংখ্য খামার – এ দৃশ্য কমবেশি সবার কাছেই পরিচিত৷ গরু চড়ে বেড়াচ্ছে, হাঁস-মুরগি ছোটাছুটি করছে – খামার বাড়িগুলোতে এ দৃশ্য দেখা স্বাভাবিক৷ অনেকেই ছুটি কাটাতে চলে যান গ্রামের এই স্নিগ্ধ-কোমল পরিবেশে৷ আর ইদানিং এখানেই হানা দিচ্ছে নানা ধরণের খাবার প্রস্তুতকারী কোম্পানি৷ এর মধ্যে একটি কোম্পানি গবেষণা করে জানিয়েছে, দুধে মেলাটোনিনের পরিমাণ বেশি থাকলে সেই দুধ পান করার পর খুব ভাল ঘুম হবে৷ প্রায় ছয় মাস ধরে চলে এই গবেষণা৷ এরপর বাজারে আসে ‘নাখট মিলশ ক্রিস্টালে’ অর্থাৎ নাইট মিল্ক ক্রিস্টাল কোম্পানির মেলাটোনিন সমৃদ্ধ দুধ৷ ইউরোপের অন্যান্য দেশেও এই দুধ রপ্তানি শুরু করে দিয়েছে জার্মানি৷ অস্ট্রিয়ার বাজারে এই দুধ পাওয়া যাচ্ছে৷ কাই ওপেল ‘নাখট মিল্শ ক্রিস্টাল’ কোম্পানির মুখপাত্র৷ তিনি জানান, ‘‘প্রতিটি প্রাণী এমনকি মানুষের মধ্যেও মেলাটোনিনের উপাদান রয়েছে৷ এই মেলাটোনিনই দিন এবং রাতের সাইকেলকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ প্রাকৃতিক ছন্দটাকে ধরে রাখে৷”
মেলাটোনিন সমৃদ্ধ ট্যাবলেট অনেক আগে থেকেই অ্যামেরিকায় বিক্রি হচ্ছে৷ বিভিন্ন ওষুধের দোকান থেকে যে কেউই তা কিনতে পারে৷ এছাড়া মেলাটোনিন সমৃদ্ধ বিভিন্ন ধরণের সফ্ট ড্রিঙ্কও সেখানে পাওয়া যায়৷ তবে ইউরোপে মেলাটোনিন এত সহজলভ্য নয়৷ এখানে যত্রতত্র তা বিক্রি করা বৈধ নয়৷ অ্যামেরিকার ফেডারেল ড্রাগ অ্যাডমিনস্ট্রেশন নতুন করে বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে৷
বাস্তব সত্য হল যে সব দুধ আমরা বাজার থেকে কিনি সেগুলোতে মেলাটোনিনের পরিমাণ একেবারেই নেই৷ যদি তাই হত তাহলে দেখা যেত সকালের নাস্তার টেবিলেই মেলাটোনিন সমৃদ্ধ দুধ খেয়ে টেবিলেই ঘুমিয়ে পড়েছে সবাই৷ তাই এসব দুধ থেকে মেলাটোনিন একেবারে সরিয়ে ফেলা হয়েছে৷ রাতে পান করার জন্য দুধে মেলাটোনিনের উপাদান যোগের প্রশ্ন এখানেই এসেছে৷ আলোর সংস্পর্শে মেলাটোনিন নষ্ট হয়ে যায়৷ আলো থেকে তাই দুধ দূরে রাখতে হবে৷ কাই ওপেল আরো জানান, ‘‘গরুর দিনের বেলা প্রচুর আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়৷ কিন্তু রাতে একেবারেই না৷ সাধারণত দেখা যায় গরুর গোয়াল ঘরেও সারারাত হালকা বাতি জ্বলছে৷ এ কারণেই দুধে মেলাটোনিনের পরিমাণ কম, মেলোটোনিনের পরিমাণ গরুর রক্তেও কম৷ আমরা যা করেছি তা হল, গোয়াল ঘর থেকে আলো একেবারে সরিয়ে নিয়েছি৷ এক ধরণের অত্যন্ত হালকা লাল আলো শুধু জ্বলছে৷ এই আলো কোনো ক্ষতি করবে না৷ মেলাটোনিন উৎপাদনে কোনো সমস্যা হবে না৷”
তবে সবাই ‘মেলাটোনিন’-এর যুক্তি গ্রহণ করতে নারাজ৷ ইংল্যান্ডের লফবোরো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লিপ রিসার্চ সেন্টারের প্রধান জিম লোর্ন মেলাটোনিনের এই চমকপ্রদ তথ্য মেনে নিতে পারছেন না৷ তাঁর প্রশ্ন একটি গরু যদি সারারাত আলোর দিকে তাকিয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে মেলাটোনিন কীভাবে উৎপন্ন হবে? জিম সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘মেলাটোনিন ঘুমে সহায়তা করে না৷ এটা শুধু শরীরকে মনে করিয়ে দিতে পারে এখন রাত বা এখন দিন৷ এখন জেগে থাকা যায় বা এখন ঘুমাবার সময়৷ শরীরের প্রাকৃতিক ঘড়িকে সময়মত চলতে মেলাটোনিন সাহায্য করে৷ কিন্তু কোনো নিশাচর প্রাণীকে কোনো অবস্থাতেই রাতে ঘুম পাড়ানো যাবে না৷ এসব প্রাণীর মেলাটোনিন কাজ করে অন্যভাবে৷ মেলাটোনিন কীভাবে ঘুমাতে সাহায্য করবে তা আমি এখনো বুঝতে পারছি না৷”
তবে একটি কথা সত্যি তা হল অন্য সাধারণ দুধের চেয়ে মেলাটোনিন সমৃদ্ধ দুধের দাম অনেক বেশি৷ অনেকেই বলছে, ঘুমের জন্য কোনো ওষুধ বা দুধ চাই না, চাই মানসিক প্রশান্তি৷
গাড়ি চালকের ঘুম ঠেকাতে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র….
নগরীর যানজটের মধ্যে নিশ্চিন্তে আরাম করে মোটামুটি একই গতিতে গাড়ি চালানোর কোন সুযোগ হয় না কখনো৷ ফলে হয়তো ঘুম আসে না৷ কিন্তু যখন দূরের পথ৷ সোজা মহাসড়ক৷ বেশ ফাঁকা রাস্তা৷ এমন সময়ই ঘুম এসে ভিড় করে গাড়ি চালকের চোখের পাতায়৷
সোজা মহাসড়ক৷ বেশ ফাঁকা রাস্তা৷ এমন সময়ই ঘুম এসে ভিড় করে গাড়ি চালকের চোখের পাতায়৷
তবে বিজ্ঞানীরা এবার এমন ব্যবস্থা করতে যাচ্ছেন যে, চালকের চোখের পাতা মুদে আসলে সাথে সাথেই জোরেশোরে সংকেত দিয়ে উঠবে গাড়িতে থাকা যন্ত্র৷ জার্মানির ফ্রাউনহফার ইন্সটিটিউটের ডিজিটাল মিডিয়া প্রযুক্তি শাখার গবেষকরা জানালেন এমন খবর৷ মানুষের চোখের পাতার নড়াচড়ার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখবে এমন একটি যন্ত্র তাঁরা উদ্ভাবন করেছেন৷ ফলে গাড়ি চালকের চোখের পাতা ঘুমে আচ্ছন্ন হতে গেলেই এটি সতর্ক সংকেত বেজে উঠবে৷
এই যন্ত্রটি উদ্ভাবনের পরই নিয়ে আসা হয়েছে স্টুটগার্টের এক মেলায়৷ চোখের সাথে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি প্রদর্শন করা হচ্ছে সেই মেলায়৷ তবে ঠিক এখনই গাড়ির চালকরা ব্যবহার করতে পারছেন না দুর্ঘটনা রোধে সহায়ক এই যন্ত্র৷ বরং প্রতীক্ষা করতে হবে আরো তিন মাস৷ আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে একটি গাড়িতে চালু করে এর কর্মদক্ষতা যাচাই করবেন গবেষকরা৷ পরীক্ষামূলক ব্যবহার সফল হলে আগামী বছরের শুরুতেই গাড়ি নির্মাতাদের কাছে এটি বিক্রির জন্য বাজারে নামানো হতে পারে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেন ইন্সটিটিউটের মুখপাত্র পেটার হুজার৷
তিনি বলেন, এতদিন পর্যন্ত এমন কাজের জন্য যেসব যন্ত্র ব্যবহার করা হতো তার দশ ভাগের একভাগ খরচ হবে এই নতুন আইট্র্যাকারে৷ এছাড়া এটি যেকোন মডেলের গাড়িতেই স্থাপন করা যাবে৷ শুধু তাই নয়, আগের প্রচলিত ব্যবস্থায় প্রত্যেক চালকের জন্য আলাদাভাবে অনেক সময় ব্যয় করে প্রস্তুতি নিতে হতো নির্দিষ্ট ক্যামেরা সদৃশ যন্ত্র সঠিকভাবে স্থাপন ও চালু করতে৷ কিন্তু এটির জন্য চালকভেদে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে স্থাপনের প্রয়োজন পড়ছে না৷ প্রয়োজন হচ্ছে না কোন ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারের৷ তিনি জানান, চালকের সহায়ক ব্যবস্থা হিসেবে এতে থাকছে চার থেকে ছয়টি ক্যামেরা যেগুলো চালকের চোখের পাতার অবস্থান এবং দৃষ্টি রেখার উপর নজর রাখবে৷ এমনকি চালক ডান কিংবা বাম দিকে দৃষ্টিপাত করলেও এটি সমানভাবে কাজ করতে পারে৷
যন্ত্রটি সেকেন্ডে ২০০টি পর্যন্ত ছবি ধারণ এবং বিশ্লেষণ করে এমন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে৷ তবে এতোটা ভালোভাবে কাজ করলেও যন্ত্রটির আকার কিন্তু বড় নয়৷ এটির আকার একটি দেয়াশলাই এর বাক্সের অর্ধেক৷ গবেষকরা আরো জানালেন, এটি যে শুধু গাড়ি চালকের কাজে লাগবে তা নয়, বরং চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে চোখে অস্ত্রোপচারের সময়ও এটি ব্যবহার করা যাবে, চোখের পাতার প্রতিটি নড়াচড়ার দিকে নজর রাখার জন্য৷ এমনকি বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপনের ঠিক কোন অংশের দিকে একজন ভোক্তা বেশি সময় ধরে দৃষ্টি ফেলছে সেটিও নির্ণয় করা সম্ভব হবে এই যন্ত্র দিয়ে৷ ফলে ভোক্তার দৃষ্টি বিবেচনা করে বিজ্ঞাপনের মান এবং পণ্যের চাহিদার বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন গবেষকরা৷
আলো জ্বালিয়ে ঘুমাবেন না, ওজন বেড়ে যাবে!…..
ঘুম ছাড়া উপায় নেই বলেই হয়তো ঘুমের পেছনে লেগে রয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ আবিষ্কার করছেন ঘুম নিয়ে নানা তথ্য-উপাত্ত৷ এবার বিজ্ঞানীরা বলছেন, আলো জ্বালিয়ে ঘুমালে ওজন বাড়ে৷
আলো জ্বালিয়ে ঘুমাবেন না, ওজন বেড়ে যাবে!…………….
ফলে এখন নিশ্চয়ই ঘুমানোর আগে আরেকবার ভাবতে হবে, আলো জ্বালানো নাকি নেভানো হয়েছে৷ এর ফলে যেসব দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে সেখানে আরো একটু লাভ হবে বৈকি!আলো নিভিয়ে ঘুমানোর ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে তো বটেই৷
আমেরিকার ওহাইয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ইঁদুরের উপর এই গবেষণা চালান৷ গবেষণার ফল প্রকাশিত হলো ‘প্রসিডিংস অব ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স’ শীর্ষক সাময়িকীতে৷ গবেষণায় দেখা গেছে, আট সপ্তাহ আলো জ্বালিয়ে ঘুমানোর ফলে ইঁদুরগুলোর ওজন বেড়েছে ৫০ শতাংশ৷ গবেষক দলের প্রধান লরা ফঙ্কেন বলেন, ‘‘সবগুলো ইঁদুরের কাজের মাত্রা এবং খাবারের পরিমাণ সমান রাখা হলেও আলোতে ঘুমন্ত ইঁদুরগুলো অন্যদের চেয়ে মোটা হয়ে গেছে৷”
যেসব ইঁদুরকে ১৬ ঘণ্টা দিনের আলো এবং আট ঘণ্টা মৃদু আলোতে রাখা হয়েছিল তাদের ওজন বেড়েছে ১২ গ্রাম করে৷ অন্যদিকে, যেগুলোকে ১৬ ঘণ্টা দিনের আলো এবং আট ঘণ্টা অন্ধকারে রাখা হয়েছিল তাদের ওজন বেড়েছে আট গ্রাম করে৷ এছাড়া খাবার গ্রহণের সময়সূচি যখন একই রাখা হতো তখন ওজন না বাড়লেও, এক্ষেত্রে অনিয়ম করা হলেই দেখা গেছে ওজন বেড়ে যেতে৷ ওজন বাড়ার এই প্রক্রিয়া প্রথম সপ্তাহ থেকেই লক্ষ্য করা গেছে৷ আর তা শেষ অবধি অব্যাহত ছিল৷ ফলে এটা থেকে বোঝা যায় যে, খাদ্য গ্রহণের সময়সূচির সাথেও ওজন বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে, বলেন ফঙ্কেন৷
গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওজন বাড়ার ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয় যে, বিপাক ক্রিয়ার উপর আলোর প্রভাব রয়েছে৷ ওহাইয়ো রাজ্যের মনোবিজ্ঞানী অধ্যাপক ব়্যান্ডি নেলসন বলেন, ‘‘রাতে আলো জ্বালিয়ে রাখার কারণে আমাদের গবেষণার ইঁদুরগুলোকে অসময়ে খাবার গ্রহণ করতে দেখা গেছে৷” তিনি বলেন, এই পরীক্ষার ফলাফল মানুষের ক্ষেত্রেও সঠিক হলে রাতে দেরি করে খাবার গ্রহণের সাথে অতিরিক্ত মোটা হওয়ার একটা সম্পর্কও পাওয়া যেতে পারে৷
ওষুধ নয়, ঘুম পাড়াবে জুঁই অথবা বেলি ফুল….
ঘুমের ওষুধের কথা ভুলে যান৷ ছোট্ট কয়েকটা তাজা জুঁই অথবা বেলি ফুল নাকের সামনে ধরুন৷ ঘ্রাণ নিন৷ দেখুন এটি ঘুমের ওষুধের মতোই কাজ করছে৷ অন্তত জার্মানির একদল গবেষকের সেরকমই দাবি৷
‘দ্য জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল কেমিষ্ট্রি’র অনলাইনে বলা হয়েছে, গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের যেকোনো ওষুধ কিংবা ভ্যালিয়াম যেভাবে কাজ করে জুঁই অথবা বেলি ফুলের সুগন্ধও এইকভাবে স্নায়ুতে এনে দেয় প্রশান্তি৷ যা মানুষের চোখে ঘুম নামিয়ে আনতে সাহায্য করে৷
বাজারজাত ওষুধগুলোর চেয়ে প্রাকৃতিক এই উপাদানটিই বেশি কার্যকরী বলে দাবি করছেন জার্মান গবেষকরা৷
জার্মানির ড্যুসেলডর্ফ শহরের হাইনরিস হাইন বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ওলগা জেরগেভা ও অধ্যাপক হেলমুট হাস এবং বোখুমের রুঢ় বিশ্ববিদ্যালয় বা আরইউবি-এর গবেষকরা একযোগে এই গবেষণাটি চালান৷ গবেষকদের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন অধ্যাপক হানজ হাটে৷ তাঁরা আবিষ্কার করেছেন, ঘুমের ওষুধের যে উপাদানটি মানুষকে প্রশান্তি এনে দেয় জুঁই অথবা বেলি ফুলের সুগন্ধের মধ্যেও একই ধরণের উপাদান রয়েছে৷
[জুঁই অথবা বেলি ফুলের সুগন্ধ স্নায়ুতে এনে দেয় প্রশান্তি ]
জুঁই অথবা বেলি ফুলের সুগন্ধ স্নায়ুতে এনে দেয় প্রশান্তি
গবেষকরা এ নিয়ে বিশদ আকারে গবেষণা করেন৷ প্রায় ১০০ ধরণের সৌরভ নিয়ে মানুষ ও ইঁদুরের ওপর চালানো হয় গবেষণা৷ এরমধ্যে এমন দু’টি সৌরভ খুঁজে পান তাঁরা, যেগুলোতে এমন উপাদান রয়েছে যা কিনা বাজারে প্রচলিত ঘুমের ওষুধের মতোই শক্তিশালী৷ বিজ্ঞানীরা বিষয়টিকে এভাবে ব্যাখ্যা করেন, শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সুগন্ধ ফুসফুস থেকে রক্তে যায় এবং সেখান থেকে মস্তিষ্কে যায়৷ এই সুগন্ধ মস্তিষ্কে প্রশান্তি এনে চোখে ঘুম নিয়ে আসে৷
শুধু ঘুমের জন্যই নয়, স্নায়ুবিক উত্তেজনা প্রশমনের জন্যও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়৷ পশ্চিমা বিশ্বের শতকরা ২০ ভাগ মানুষ প্রতিদিন না হলেও মাঝে মাঝে ঘুমের ওষুধ খান৷ আর বিশ্বের মধ্যে এখনও পর্যন্ত বহুল প্রচলিত ঘুমের ওষুধগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে বেনজোডায়াজেপিনেস৷ এ ওষুধটি মানুষকে ধীরে ধীরে আসক্ত করে ফেলে৷ সেইসঙ্গে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা যায় বিষন্নতা, চোখে অন্ধকার দেখা, উৎকন্ঠা, মাংসপেশীর দুর্বলতা ইত্যাদি সমস্যা৷ অন্যদিকে প্রকৃতিগতভাবেই জুঁই বা বেলি ফুলের ঘুম পাড়ানোর ক্ষমতা থাকলেও এর কিন্তু কোনরকমই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই৷
সুস্থ থাকতে চাইলে ঠিক ৭ ঘন্টা ঘুমান.
ভেবে বলুনতো, আপনি দিনে কত ঘন্টা ঘুমান? পাঁচ, ছয়, সাত নাকি আট ঘন্টা৷ নাকি তার চেয়েও বেশি বা কম৷ উত্তরটা যদি হয় সাত, তাহলে একদম ঠিক আছে৷ আর তা না হলেই বিপদ৷ এমনটাই আভাস দিচ্ছে একটি গবেষণার ফলাফল৷
যুক্তরাষ্ট্রে হয়েছে গবেষণাটি৷ ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ছিলেন এর পেছনে৷ আর যে ম্যাগাজিনে গবেষণাটি ছাপা হয়েছে সেটির নাম ‘স্লিপ’ অর্থাৎ ঘুম৷ প্রায় ত্রিশ হাজার বয়স্ক মানুষের তথ্য পর্যালোচনা করে বের করা হয়েছে ফলাফল৷
কিন্তু কী আছে সেই ফলাফলে? বলা হয়েছে, সাত ঘন্টার কম বা বেশি যারা ঘুমায় তাদের বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে৷ যারা দিনে পাঁচ ঘন্টার কম ঘুমান তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা, যারা সাত ঘন্টা ঘুমান তাদের চেয়ে দুই গুন বেশি৷
আর যারা নয় ঘন্টা বা তার বেশি সময় ঘুমান তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি, সাত ঘন্টা যারা ঘুমান তার চেয়ে দেড়গুন বেশি৷
তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন ৬০ বছর বয়সের নিচে যারা, তারা৷ কারণ গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে, এই বয়সের লোকদের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা, সাত ঘন্টা ঘুমানো মানুষের চেয়ে তিনগুন বেশি৷
সবচেয়ে কম বা সবচেয়ে বেশি সময় ঘুমের কারণে স্ট্রোক হবার সম্ভাবনা থাকে বলে জানা গেছে৷
তবে একই ম্যাগাজিনে আরও একটি বিষয়ে গবেষণা প্রকাশ পেয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, যারা দিনের পর দিন রাতে চার ঘন্টার কম সময় ঘুমানোর সুযোগ পান তারা যদি পরে কোন সময় ৯ বা ১০ ঘন্টার মত ঘুমানোর সুযোগ পায় তাহলে সেটা বরং উপকারী হবে৷ এই গবেষণাটি করেছে যুক্তরাষ্ট্রেরই পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগ৷ ১৪২ জনের ওপর করা হয়েছে গবেষণাটি৷
ঘুম সমস্যায় বাংলাদেশের নারীরা শীর্ষে…………..
তথ্যটা জানা গেছে ২০১২ সালে প্রকাশিত একটি জরিপ থেকে৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় পরিচালিত এই জরিপে আট দেশের প্রায় ৪৪ হাজার পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের মানুষ অংশ নিয়েছেন৷
জরিপে অংশ নেয়া বাংলাদেশের প্রায় ৪৩.৯ শতাংশ নারীর মধ্যে ঘুমের সমস্যা পাওয়া গেছে৷ অর্থাৎ, উন্নত বিশ্বে যতসংখ্যক নারী ঘুম সংক্রান্ত সমস্যায় ভোগেন বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যাটা প্রায় দ্বিগুন! অবশ্য বাংলাদেশের পুরুষদের মধ্যে ঘুমের সমস্যায় ভোগার পরিমাণ নারীদের প্রায় অর্ধেক৷ সংখ্যার হিসেবে ২৩.৬ শতাংশ৷
কারণ
ঘুমের সমস্যায় ভোগার অনেকগুলো কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটো হলো হতাশা আর উদ্বেগ৷ বাংলাদেশের মানুষের ক্ষেত্রেও সেটা সত্য বলে জরিপে জানা গেছে৷
গবেষণার বিস্তারিত
জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ইংল্যান্ডের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঘানা ও দক্ষিণ আফ্রিকার দুটো প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এই গবেষণাটি পরিচালনা করে৷ বাংলাদেশসহ ঘানা, তাঞ্জানিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার গ্রামাঞ্চল এবং কেনিয়ার শহরাঞ্চলের ২৪,৪৩৪ জন নারী এবং ১৯,৫০১ জন পুরুষ জরিপে অংশ নেন৷
ঘুম সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে উন্নত বিশ্বে অনেক গবেষণা হলেও উন্নয়নশীল বিশ্বের সমস্যা নিয়ে ওটাই ছিল প্রথম গবেষণা৷ আটটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের নারীদের মধ্যেই ঘুমের সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে৷ আর পুরুষদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রয়েছে তৃতীয় স্থানে৷
‘স্লিপ’ নামক জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে৷
অনিদ্রায় একমাত্র ভরসা ঘুমের ওষুধ?.
ঘুমের ওষুধের খুব একটা সুনাম নেই৷ বলা হয় এসব বিপজ্জনক ও আসক্ত করে৷ কিন্তু অনিদ্রা যাঁদের নিত্যসঙ্গী তাঁদের কাছে ঘুমের ওষুধের দিকে হাত বাড়ানো ছাড়া আর কোনো গতি থাকে না৷ আর এরকম ঘটনা ঘটছে হামেশাই৷
আনে-মারিও একজন ভুক্তভোগী৷ ১৯ বছর আগে দেখা দেয় এই যন্ত্রণা৷ আনা মারির ভাষায়, ‘‘তা ছিল ১৯টি কষ্টকর বছর৷ অনিদ্রা যাঁদের হয়নি, তাঁরা তা বুঝবেন না৷” মায়ের মৃতদেহ ছোঁয়ার পর থেকেই শুরু হয়৷ স্মরণ করে বলেন আনে মারি৷ ‘‘আমি জানতাম না মানুষের শরীর এত ঠাণ্ডা হয়৷ এটা ছিল একটা শক৷” সারা রাত না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেন আনা মারি৷ তারপর আরো অনেক রাত এইভাবে কাটে৷ ছোটেন ডাক্তারের কাছে৷ সেখানে অশ্রু সংবরণ করতে পারেননি তিনি৷
এখন আনে মারির বয়স ৬৮৷ বাস করেন জার্মানির বন শহরের কাছে লোমার শহরে৷ সেখান থেকে এক ঘন্টার মধ্যেই প্রায় সব ডাক্তারের কাছে পৌঁছাতে পারেন তিনি৷ এইসব চিকিত্সকের কেউ তাঁকে সাহায্য করতে পারেননি৷
অবশেষে এক উপায় বের করেন তিনি৷ প্রতি রাতে চার ভাগের এক ভাগ ঘুমের ওষুধ খাওয়া শুরু করেন৷ ‘‘বছর দশেক আগে আমার মনে হয়েছিল, হয় এই ওষুধ তুমি খাও, নয় মৃত্যুবরণ করো৷ ঘুম পানাহারের মতই জরুরি”, বলেন আনে-মারি৷
অনেক সময় রোগীরা পরদিন সকালে ক্লান্তি বোধ করেন৷
অনিদ্রার কবলে অনেক মানুষ
রবার্ট কখ ইন্সটিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, জার্মানির ২৫ শতাংশ মানুষের মধ্যে অনিদ্রার লক্ষণ দেখা যায়৷ অ্যামেরিকার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ক্রনিক অনিদ্রায় ভোগেন৷ এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্লিপ ডিসওর্ডার রিসার্চ’৷
একটি ক্লিনিকের স্লিপিং সেন্টারের প্রধান হান্স গ্যুনটার ভিস জানান, ‘‘রোগীরা শোবার ঘরে এসেও সব চিন্তাভাবনা দূর করতে পারেন না৷ দৈনন্দিন নানা ঘটনা তাদের মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে৷” এছাড়া শারীরিক কারণেও অনিদ্রা দেখা দিতে পারে৷ যেমন থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের সমস্যাতেও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে৷
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া ঘুমের ওষুধ আছে কী?
গবেষকরা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া ঘুমের ওষুধ আবিষ্কার করার চেষ্টা করছেন৷ কয়েক দশক আগে বারবিচুরেট ঘুমের ওষুধ হিসাবে নাম করেছিল৷ কিন্তু এর উপাদান মানুষকে নির্ভরশীল করে৷ একটি দুঃখজনক ঘটনা থেকে ওষুধটির নাম ছড়িয়ে যায় বিশ্বব্যাপী৷ হলিউডের চিত্রতারকা মেরিলিন মনরো বেশি ডোজে এই ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেন৷
এরপর বাজারে আসে বেনজোডায়াজোপিন৷ এটাও মস্তিষ্কে এমন সংকেত পাঠায় যাতে ঘুম আসে৷ তবে এর উপাদান মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশকেও প্রভাবিত করে, যেসব মানুষের অনুভূতি, নড়াচড়ার সমন্বয় ও মনমেজাজের জন্য জরুরি৷ এই ওষুধ এখনও পাওয়া যাচ্ছে৷ তবে এর চেয়েও ভালো একটি বিকল্প এসেছে বাজারে৷ এটির নাম জেড-ড্রাগ বলা হয়৷ এতে কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলির নাম জেড দিয়ে শুরু৷ এই ওষুধও ঘুম পাড়ায়, তবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম৷ এখন অনিদ্রার চিকিত্সায় সাধারণত এই ওষুধও দেওয়া হয়ে থাকে৷
ভেষজ ওষুধও কাজে লাগতে পারে
এছাড়া বালড্রিয়ান বা ভ্যালেরিয়ানার মতো ভেষজ ওষুধও ঘুমের ব্যাঘাত হলে সাহায্য করতে পারে৷ তবে সমস্যাটা হালকা হলেই কেবল এই ওষুধ কাজে লাগে৷ অনিদ্রা জেঁকে বসলে উদ্ভিজ ওষুধ তেমন কাজে লাগে না৷
আধুনিক ঘুমের ওষুধে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম থাকলেও পুরোপুরি মুক্ত নয়৷ অনেক সময় রোগীরা পরদিন সকালে ক্লান্তি বোধ করেন৷ গাড়ি চালাতে পারেন না৷ এই ধরনের ওষুধ দুই সপ্তাহের বেশি নিলে পরে ওষুধ ছাড়া আর ঘুমই আসে না৷ অনেকদিন পর হয়ত কাজই করে না ঘুমের ওষুধ৷
আনে মারি জানান, তিনি ঘুমানোর জন্য সবরকম চেষ্টা করেছেন কিন্তু সফল হননি৷ এজন্য ‘সেল্ফ হেল্প গ্রুপ’-ও গড়ে তুলেছিলেন৷ কিন্তু কিছুদিন পর অংশগ্রহণকারীরা আর আসতে পারেননি৷ ‘‘দিনের পর দিন না ঘুমিয়ে সন্ধ্যার সময় খুব ক্লান্ত থাকতেন তারা৷ তাই এই আসরে আসা সম্ভব হয়নি,” জানান আনে-মারি৷
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, ঘুমের ট্যাবলেট সাময়িকভাবে নেওয়া যেতে পারে৷ কিন্তু স্থায়ী সমাধান হতে পারেনা৷ ওষুধ দিয়ে লক্ষণটা কমানো যায় কিন্তু অনিদ্রার আসল কারণ দূর করা যায় না৷
কম ঘুমের কারণে ওজন বাড়তে পারে..
ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে দিনটা যেমন ঝরঝরে হয় না কাটে নেশাচ্ছন্নভাবে, তেমনই হজমেও সমস্যা হয়৷ শরীরে অবসাদ ভর করে, শক্তিও কমে যায়৷ আর এসবই বলছে, একটি ইউরোপীয় স্বাস্থ্য সমীক্ষা৷
অ্যামেরিকান জার্নাল ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন’এ প্রকাশিত ঐ সমীক্ষার ফলাফলে প্রমাণ উল্লেখ করে দেখানো হয়েছে, কম ঘুম ওজন বাড়াতে সাহায্য করে৷ কম ঘুম শুধু যে ক্ষুধা বাড়ায় তাই নয়, ক্যালোরি ধ্বংস করে খুবই কম৷ সমীক্ষাকাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন, সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিস্টিয়ান বেনেডিক্ট৷ তিনি বললেন, যথেষ্ট ঘুম ওজন বাড়ানো প্রতিরোধ করে, সমীক্ষা থেকে তাই বের হয়ে এসেছে৷ তিনি লিখেছেন, সমীক্ষাতে আমরা দেখেছি, এক রাত যদি ভালোমত ঘুম না হয়, তাহলে সুস্থ মানুষের শরীরেও ক্লান্তি ভর করে, অবসাদ জেঁকে বসে৷”
এর আগেও বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, ঘুমের ব্যাঘাত ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত৷ শুধু তাই নয়, আরো দেখা গেছে, মানুষ যখন জেগে থাকে তখনও কম ঘুম কী ভাবে, চাপ এবং ক্ষুধার সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোনগুলোর স্বাভাবিক মাত্রাতে ব্যাঘাত ঘটায়৷
কম ঘুমের কারণে শরীরে আসলে কী ধরণের প্রভাব পড়ে তা শনাক্ত করতেই বেনেডিক্ট এবং তাঁর সহকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ জন ছাত্রের ঘুমের বিভিন্ন পর্যায় পর্যবেক্ষণ করেছেন৷ স্বল্প ঘুম, একেবারে না ঘুমানো এবং স্বাভাবিক ঘুমের কারণে কয়েকদিন শরীরের রক্তে শর্করার পরিমাণ, হরমোনের মাত্রা এবং তাদের বিপাক প্রক্রিয়ায় কী ধরণের পরিবর্তন হয় সেটা তাঁরা লক্ষ্য করেছেন৷
সেখানে দেখা গেছে, মাত্র একদিন ঘুম না হলে, পরেরদিন সকালে বিপাক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়৷ রাতে যার খুব ভালো ঘুম হয়েছে তার সাথে তুলনা করে দেখা গেছে, যার ঘুম হয়নি তার শরীরে ক্লান্তি ভর করেছে, নিশ্বাস নেওয়া বা হজমের মত ব্যাপারগুলো শতকরা কুড়িভাগ থেকে নেমে এসেছে শতকরা পাঁচ ভাগে৷
দেখা গেছে, ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টির পরে সকালে একজন অল্প বয়সের পুরুষের রক্তে চিনির মাত্রা, ক্ষুধা বৃদ্ধির হরমোন ঘ্রেলিনের মাত্রা এবং চাপ বৃদ্ধির হরমোন কর্টিসলের মাত্রা অনেক বেশি৷ এর আগের কয়েকটি সমীক্ষাতে দেখা গেছে, যারা পাঁচ ঘন্টা বা তারও কম ঘুমান, খুব দ্রুত তাদের ওজন বাড়ে এবং ওজনের সঙ্গে সমর্কিত রোগ টাইপ-টু ডায়াবেটিসেও আক্রান্ত হন৷

Read More
Dilip Poddar

ডায়াবেটিস রোগীদের হার্ট অ্যাটাক।

ডায়াবেটিস রোগীদের হার্ট অ্যাটাক।
ডায়াবেটিস রোগীদের হার্ট অ্যাটাক।


ডায়াবেটিস মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো হার্ট অ্যাটাক। ডায়াবেটিস মানব দেহের প্রাচীনতম রোগগুলির মধ্যে অন্যতম। আরোটিয়াস ১৫০ খৃৃষ্টাব্দে এ রোগের নাম দেন ডায়াবেটিস, যার অর্থ সাইফন। তার মতে এ রোগে রোগীর ওজন কমে যায় ও পচনশীল ঘা হয়। ১৯০৯ সালে ডি মেয়ার অগ্ন্যাশয়ের হরমোনকে ইনসুলিন নামকরণ করেন। ডায়াবেটিস হলে ইনসুলিন তৈরি করার ক্ষমতা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায় অথবা পর্যাপ্ত পরিমাণ ইনসুলিন তৈরিতে ব্যর্থ হয় নতুবা পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হলেও ইনসুলিন তার কাজ করতে পারে না।

১৯৮৬ সালে মার্কুনে ঈষ্ট থেকে জৈব সংশেস্নষণ করে হিউমেন ইনসুলিন তৈরী করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। চলতি শতাব্দীর গোড়ার দিক পর্যন্ত বহু লোক মৃত্যুবরণ করেছেন এই নীরব ঘাতক ব্যাধির আক্রমণে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে যথেষ্ট তথ্য ইতিমধ্যে আবিষ্কৃত হয়েছে, ফলে ডায়াবেটিসে মৃত্যুর হার অনেক কমে গিয়েছে।

ডায়াবেটিস কিঃ গস্নুকোজ আমাদের শরীরের শক্তির মূল উৎস। শরীর ইনসুলিন নামের একটি হরমোন তৈরী করে। ইনসুলিন রক্ত থেকে অতিরিক্ত গস্নুকোজ বের করে নিয়ে শরীরের কাজে লাগাতে সাহায্য করে এবং রক্তে গস্নুকোজের মাত্রা একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় রাখে।

আমাদের রক্তে গস্নুকোজের মাত্রা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে থাকার কথা। যখন রক্তের গস্নুকোজের মাত্রা সার্বক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে বেশি থাকে তখন সে অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে।

আমাদের অগ্ন্যাশয়ের মধ্যে বিটা সেল নামের বিশেষ ধরনের কোষ থাকে। এই বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নামক হরমোন তৈরী হয়। ইনসুলিন আমাদের রক্তের গস্নুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ইনসুলিন শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং কোষকে, রক্ত থেকে গস্নুকোজ নিতে সাহায্য করে। এর ফলে রক্তে গস্নুকোজের মাত্রা সব সময়ই একটি সহনশীল মাত্রায় থাকে। এমনকি খাবার খাওয়ার পরপরই রক্তে হঠাৎ করে যে গস্নুকোজ বেড়ে যায় তাও নিয়ন্ত্রণে থাকে।


ডায়বেটিস প্রধানত দু’ধরনের। টাইপ-১ ও টাইপ-২। বেশিরভাগ মানুষ টাইপ -২ ডায়াবেটিসে ভুগে থাকে।

টাইপ-১ ডায়াবেটিসে শরীরের ইনসুলিন তৈরি করার ক্ষমতা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণ ইনসুলিন তৈরিতে ব্যর্থ হয় নতুবা পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হলেও ইনসুলিন তার কাজ করতে পারে না।

টাইপ-১ ডায়াবেটিসঃ টাইপ-১ ডায়াবেটিসে শরীরের ইনসুলিন তৈরি করার ক্ষমতা একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে রোগীর রক্তে গস্নুকোজের পরিমাণ নির্ধারিত পরিমাণ থেকে অনেক বেড়ে যায়। টাইপ -১ ডায়াবেটিস সাধারণত শিশু অবস্থায় অথবা বাল্যকালেই দেখা দেয়। ডায়াবেটিস রোগীর শতকরা ১০ থেকে ১৫ ভাগ টাইপ ১-ডায়াবেটিসে ভুগে থাকে। এ ধরনের রোগীদের ইনসুলিন ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা করতে হয়। এটিকে ইনসুলিন নির্ভরশীল ডায়াবেটিস বলা হয়। এটি সাধারণত ৪০ বছরের কম বয়সের লোকদের হয়ে থাকে। এদের কিটোএসিডোসিস নামক এক প্রকার জটিলতা হতে পারে। যার সঠিক চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু হতে পারে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসঃ টাইপ-২ ডায়াবেটিসে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণ ইনসুলিন তৈরিতে ব্যর্থ হয় নতুবা পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরী হলেও ইনসুলিন তার কাজ করতে পারে না। ডায়াবেটিস রোগীর শতকরা ৮৫ থেকে ৯০ ভাগ টাইপ-২ ডায়াবেটিসে ভুগে থাকে। ২০২৫ সালে নাগাদ টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি।

অনেক সময় ডায়াবেটিসের লক্ষণ মৃদু হয়ে থাকে যার ফলে এটি ধরা পড়তে অনেক সময় লাগে। এটি মধ্য বয়সে অথবা তারও পরে ধরা পড়ে। টাইপ -২ ডায়াবেটিস এটি প্রধানত বংশগত রোগ। এটিকে ইনসুলিন অনির্ভরশীল ডায়াবেটিস বলে। সাধারণত ৪০ বছরের বেশি বয়সের লোকদের এটা হয়ে থাকে। যাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, শারীরিক প্ররিশ্রমের কাজ করেন না, নিকট-আত্নীয়দের ডায়াবেটিস আছে-তাদের এ ধরনের ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। ইনসুলিন অনির্ভরশীল ডায়াবেটিস চিকিৎসায় সাধারণত ইনসুলিনের প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে খাদ্য অভ্যাসে কিছুটা পরিবর্তন, ব্যায়াম বা হাঁটাহাটি ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণে বেশি ভূমিকা রাখে। ক্ষেত্রবিশেষে খাবার ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

হার্ট এ্যাটাক কি :- হ্নদপিন্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে রক্তচলাচলে বাধা সৃষ্টি করে যে রোগের উৎপত্তি হয় তাকে ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ বলে। হার্টএ্যাটাক বা মায়োককার্ডিয়াল ইনফ্রাকশান এই রোগের একটি বহিঃপ্রাকাশ। হ্নদপিন্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে ও রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল একেবারে বন্ধ হলে হ্নদপিন্ডের পেশীর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, একে মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশান বলা হয় । মানুষের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো এই রোগটি। যুক্তরাজ্যে এক সমীক্ষ্যায় দেখা যায় ১/৩ ভাগ পুরুষ এবং ১/৪ ভাগ মহিলা ইসকেমিক হার্ট ডিজিজে মারা যায়। ইসকেমিক হার্ট ডিজিজে হার্টএ্যাটক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশান ছাড়া ক্রনিক স্ট্যাবল এনজিনা ও আনস্ট্যাবল এনজিনা হতে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীর হার্ট অ্যাটাক :- হার্ট অ্যাটাকের একটি প্রধান উপসর্গ বুকের মাঝখানে তীব্র ব্যাথা হওয়া । কিন্তু অনেক সময় ডায়াবেটিস রোগীর হাট অ্যাটার্ক হলেও বুকে ব্যথা অনুভব হয় না। শতকরা ২৫% ডায়াবেটিস রোগীর ব্যথাহীন বা নিরব হার্ট অ্যটাক হয়। রোগী অনেক সময় বুঝতেও পারে না সে কখন হার্ট অ্যাটক করেছেন, ফলে হঠাৎ মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে। ডায়াবেটিস রোগীর নীরব মৃত্যু তাহলে হার্ট অ্যাটাক থেকে হতে পারে। তবে কিছু উপসর্গ থেকে ধারণা করা যায়।

হঠাৎ করে প্রচুর ঘেমে যাওয়া, শরীর দুর্বল লাগা, শ্বাস কষ্ট হওয়া অথবা রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া ডায়াবেটিসের জটিলতায়ও এধরনের সমস্যা হতে পারে। ইসিজি করলেই হার্ট অ্যাটাকে বুঝা যায়। ব্যথাহীন হার্ট অ্যাটাকের রোগীরা অনেক পরে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসা শুরু হতে বিলম্ব হয়।

ডায়াবেটিস হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম প্রধান কারণঃ হার্ট অ্যাটাকের পাঁচটি প্রধান কারণ হলো ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির আধিক্য ও পজেটিভ ফেমিলি হিসট্রি। ডায়াবেটিস রোগীর ৩ থেকে ৫গুণ হার্ট অ্যাটাকের সম্ভবনা বেশী থাকে। ডায়াবেটিস থাকলে মহিলাদের হার্ট অ্যাটাকের প্রিমেনুপোজার প্রোটেকশান থাকে না। ডায়াবেটিসের ফলে রক্তনালীতে চর্বি জমে রক্তনালী সরু করে, যার জন্যে হার্টের রক্ত চলাচলে বাধাসৃষ্টি হয়।

অনেক দিনের ডায়াবেটিস, বয়সে বেশী, সিস্টোলিক উচ্চ রক্তচাপ, হাইপার ইনসুলিনিমিয়া, রক্তে ট্রাইগিস্নসারাইডের পরিমাণ বেশি আর এইচডিএল বা ভাল কোলেস্টেরেলের পরিমান কম থাকলে, প্রোটিনিউরিয়া ইত্যাদি থাকলে ডায়াবেটিস রোগিদের হার্ট অ্যটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে। রক্তে সুগারের পরিমাণ বেশী থাকলে তাদের রক্তে অণুচক্রিকা খুব তাড়াতাড়ি রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। এর ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারী রক্তনালী বন্ধজনিত হ্নদরোগ বেশী হয়।

৭৫% ডায়াবেটিস রোগির হার্ট অ্যাটাকের সময় বুুকে ব্যথা হয়। শেষ রাত ও সকাল ৯টার আগ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাকের হার অনেক বেশী। তাই শেষ রাতে বা ভোরের সময়কার বুকে ব্যথাকে অবহেলা করা ঠিক নয়।

হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধের উপায়ঃ হার্ট অ্যাটাকের জন্য কিছু কারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা দায়ী। এগুলো এড়িয়ে চলতে পারলে হার্ট অ্যাটাক অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যায়। যেমনঃ

ধূমপান সম্পূর্ণ বর্জন করুন। সাদা পাতা, জর্দা, নস্যি ইত্যাদি পরিহার করুন। যারা ধূমপান করেন, ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করা যায় না। নিজের ইচ্ছা শক্তিকে প্রবল করুন এবং এখনই ধূমপান একেবারে ছেড়ে দিন।
যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন ও রক্তচাপ পরীক্ষা করাবেন। অনেকে উচ্চ রক্তচাপ কমে গেলে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করেন। পুনরায় রক্তচাপ বেড়ে গেলে ওষুধ খেয়ে থাকেন। এ ধরনের অনিয়মিত ওষুধ সেবন ও রক্তচাপ উঠানামা হার্ট অ্যাটাক হতে সহায়তা করে্‌। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রেণে রাখবেন।
যাদের ডায়াবেটিস আছে, নিয়মিত ওষুধ সেবন করবেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। যাদের বয়স ৪০-এর বেশি এবং জানেন না ডায়াবেটিস আছে কিনা, তারা রক্ত পরীক্ষা করে জেনে নিন ডায়াবেটিস আছে কিনা।
হাইপারলিপিডেমিয়া বা রক্তে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের আধিক্য থাকলে, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চর্বি যাতীয় খাবার কম খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন কমানো এবং ক্ষেত্রবিশেষে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে রক্তের কোলেস্টেরল স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসতে হবে।
মদ্যপান হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় তাই মদ্যপান পরিহার করতে হবে।
জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি হার্ট অ্যাটাকের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি ক্ষেত্রবিশেষে পরিহার করে অন্য পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।
ওজন ঠিকা রাখা। বাড়তি ওজন অবশ্যই কমাতে হবে। ওজন কমানোর জন্য মিষ্টি খাবার ও চর্বিযুক্ত খাবার বাদ দিয়ে খাবার গ্রহণ করতে হবে।
শরীরের ওজন স্বাভাবিক রাখার মাত্রা হলো বিএমআই ১৮•৫-২৪•৯ কেজি/মি২ মধ্যে রাখা। আর কোমরের ব্যাস পুরুষের ক্ষেত্রে ৪০ ইঞ্চি বা তার কম এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৩৫ ইঞ্চি বা তার কম রাখতে হবে।
পরিমিত ব্যায়াম ও কায়িক পরিশ্রম করতে হবে। কমপক্ষে দৈনিক ৩০ থেকে ৬০ মিনিট করে সপ্তাহে ৩-৪ বার হাটা, জগিং, সাইকেল চালানো অথবা অন্যান্য মুক্ত বাতাসে ব্যায়াম করা যেতে পারে। উত্তম হলো সপ্তাহে প্রতিদিন এ পরিমাণ ব্যায়াম করা।
হাইরিক্স গ্রম্নপ রোগীদের নিয়মিত মেডিকেল চেকআপ করা।
হার্টের জন্য সহনীয় খাবার খাওয়া যেমন- লবণ কম খাওয়া, চর্বি জাতীয় খাবার কম খাওয়া, শাক-সবজি ও ফলমূল বেশী খাওয়া।
নিয়মিত ঘুমানো, মানসিক দুঃচিন্তা না করা, হঠাৎ উত্তেজিত না হওয়া।
দুশ্চিন্তামুক্ত, সুন্দর ও সাধারণ জীবন যাপন করুন। এতে হার্ট অ্যাটাকের হাত থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাওয়া যাবে।

Read More
Dilip Poddar

যে লক্ষ্মণগুলি বুঝিয়ে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, জেনে নিন

যে লযে লক্ষ্মণগুলি বুঝিয়ে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, জেনে নিনক্ষ্মণগুলি 
যে লক্ষ্মণগুলি বুঝিয়ে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, জেনে নিন

ধুনিক কালের জেট গতিতে ছুটে চলা জীবনে হার্ট অ্যাটাকের উদাহরণ বহুলাংশে বেড়েছে। আগে একটা নির্দিষ্ট বয়সের উপর মানুষ এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতেন। কিন্তু এখন আর বয়সের কোনও গণ্ডি নেই। প্রতিযোগিতার বাজারে অত্যধিক মানসিক চাপ যে কোনও বয়সের ক্ষেত্রে বাড়িয়ে দিচ্ছে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা। তবে একটু আগে থেকে সচেতন হলে, সাবধানতা অবলম্বন করা সহজ হয়।
তাই আর দেরি না করে এখনই জেনে নিন, কোন উপসর্গগুলি দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনারও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে-  
১) হঠাৎ করেই যদি আপনি অত্যধিক ঘামতে থাকেন।
২) হঠাৎ করেই হজমে গন্ডগোল। আর তার থেকে বমি। অথচ এমন কিছু খাননি যাতে ফুড পয়েজনিং হতে পারে।
৩) খিদে কমে যাওয়া। খাওয়ার অনীহা।
৪) মাড়িতে, চোয়ালে ব্যথা। কথা জড়িয়ে যাচ্ছে।
৫) মাঝে মাঝেই ব্ল্যাক আউট হয়ে যাওয়া, জ্ঞান হারিয়ে ফেলা।
৬) সেক্সে অনীহা। পুরুষাঙ্গে শিথিলতা।
৭) অনিয়মিত ঘুম। ডাক্তারি পরিভাষায় যাকে বলে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA)। রক্তচাপ বাড়িয়ে তোলে। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ায়।
বাঁচার উপায়
১) বার্ষিক হেল্থ চেক-আপ করান।
২) নিয়মিত ৩০ মিনিট করে যোগাসন করুন।
৩) রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪) ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।
Read More
Dilip Poddar

শরীরের অনাবশ্যক মেদ ঝরানোর সহজ টিপস

শরীরের অনাবশ্যক মেদ ঝরানোর সহজ টিপস
শরীরের অনাবশ্যক মেদ ঝরানোর সহজ টিপস



মোটা হয়ে যাচ্ছেন। ডায়েট করেও কাজ হচ্ছে না। ডায়েট না করেই শরীরের অনাবশ্যক মেদ ঝরানোর কিছু সহজ টিপস আজকের জানকারিতে।
লাইফস্টাইলের ডিজিজের সঙ্গেই এখন জুড়ে গেছে ওবেসিটি সমস্যা। শরীরে অনাবশ্যক মেদ নিয়ে জেরবার অনেকেই। নিজেকে নির্মেদ রাখতে অনেকেই আশ্রয় নেন ডায়েটের। খাওয়া দাওয়া কমিয়ে ফেলে শুরু হয় মেদ ঝরানোর সাধ্য সাধনা। নতুন চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, ডায়েট না করেই ওজন কমানো যায়। ঝরিয়ে ফেলা যায় শরীরের বাড়তি মেদ।
কিন্তু কীভাবে?
চিবিয়ে খাওয়ার সময় বাড়ান
চিকিত্‍সকেরা বলছেন বেশিক্ষণ চিবিয়ে খেলে খাদ্য থেকে শরীরে ক্যালরির পরিমাণ কম যায়। খাদ্য পরিপাকও ভাল হয় এতে। ভাত,রুটি খাওয়ার জন্য আধঘণ্টা সময় দিন।
ব্রেকফাস্ট মাস্ট
খাদ্য তালিকায় ব্রেকফাস্ট রাখতেই হবে।  দিনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ খাবার ব্রেকফাস্ট না করা  মানেই দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা। এতে  শরীরের হজমের প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
যা খাচ্ছেন তাতেই মন দিন
খাবার খাওয়ার সময় কেউ  টিভি দেখেন। কেউ  বই পড়েন। এরফলে কী পরিমাণ খাবার আপনি খাচ্ছেন তা সম্পর্কে খেয়াল থাকে না। মন শুধু খাবারেই দিন। ডায়েটে কাজ দেবে।
এক রান্না বারবার গরম করবেন না
এক রান্না বারবার  গরম করলেই তার খাদ্যগুণ কমে যায়। মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করলেও খাদ্যগুণ কমে যায়।
ভারি খাবারের আগে ফল খান
লাঞ্চ বা ডিনারের ৩০ মিনিট আগে ফল খান। ফল পরিপাকে সাহায্য করে।খাবার আগে ফল শরীরের ওজন কমাতে দারুন সাহায্য করে।
বার বার খাবার খান
একবারে পেট ভর্তি না করে, কিছুটা খালি পেট রাখুন। দু ঘণ্টা বা তিন ঘণ্টার ব্যবধানে খাবার খান। এতে পরিপাক ক্রিয়া বাড়ে। খাবার হজম হয় ভাল। 
৮টার মধ্যে রাতের খাওয়া সারুন
বেশি রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তে হবে। চেষ্টা করুন রাত আটটার মধ্যেই রাতের খাওয়া সেরে ফেলতে।
খাবার ১৫মিনিট আগে জল খান
অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে খাবার খেতে খেতেই জল খাওয়ার। খাবার খাওয়ার মাঝখানে জল খাওয়ার অভ্যাস পরিপাকে সমস্যা তৈরি করে। তৈরি হয় অ্যাসিডিটি। যদি খুবই জল খাওয়ার প্রয়োজন হয় তবে অল্প জল খান,শুধু গলা ভেজানোর মত।
এই কয়েকটি নিয়ম মানলেই ডায়েট ছাড়াই আপনি শরীর ঝরঝরে রাখতে পারবেন। শরীরে জমবে না বাড়তি মেদ।
Read More