জানা অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জানা অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২২ জুলাই ২০১৬

Dilip Poddar

১১ দিনে ডায়েবেটিস একেবারে সেরে যাবে।

১১ দিনে ডায়েবেটিস একেবারে সেরে যাবে।
১১ দিনে ডায়েবেটিস একেবারে সেরে যাবে।




ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল করা যায়, কথাটি শুনলে যে কারোই ভড়কে যাবার কথা, কারণ ডায়াবেটিস একবার দেহে বাসা বাধলে তা কখনোই পরিপূর্ণ ভাবে সারে না, তবে পরিমিত পরিমান খাবার গ্রহন করে তা নিয়ন্ত্রনে রেখে দীর্ঘদিন সুস্হ থাকা সম্ভব, কিন্তু বৃটেনের বিজ্ঞানী রিচার্ড ডটির দাবী মাত্র ১১ দিনের মধ্যেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

বৃটেনের রিচার্ড ডটি (৫৯) নামের এক ব্যক্তি বেশ অল্প ক্যালোরিসম্পন্ন খাবার খেয়ে ১১ দিনেই ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি কি খাবার খেয়ে এটা করতে পেরেছেন তার একটি চার্ট প্রকাশ করেছেন। যা যা খেতেন, তার তালিকা একেবারেই ছোট। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা কখনও সম্পূর্ণ নির্মূল হয় না। এমন প্রচলিত ধারণাকে পাল্টে দিয়েছেন রিচার্ড। মানুষ শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে বিভিন্ন ডায়েট পরিকল্পনা করে। কিন্তু তিনি প্রায় অভুক্ত থাকার ডায়েটেই নিরোগ শরীর পেলেন। রিচার্ড লম্বায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, তার ওজন ৬৭ কেজি। রুটিনমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান তিনি। শেষবার যখন পরীক্ষা করালেন, ফলাফলে রীতিমতো চমকে উঠলেন তিনি। রিপোর্টে জানা গেলো, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। রিচার্ডের বংশে কারও ডায়াবেটিস ছিল না। তার ওজনও অতিরিক্ত নয়। তিনি সবসময় সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন। জীবনে কখনও সিগারেট স্পর্শ করেননি। এত সব সত্ত্বেও ডায়াবেটিস ধরা পড়লে যে কারও চোখই কপালে উঠবে। রিচার্ডেরও তা-ই হলো। তিনি রীতিমতো কিংকর্তব্যবিমূঢ়। ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে এবার শুরু হলো তার নিরন্তর প্রচেষ্টা। ইন্টারনেটে সমাধান খুঁজলেন। নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের তৈরি করা একটি স্বল্প ক্যালোরিসম্পন্ন ডায়েটের সন্ধান পেলেন তিনি।

ওই বিজ্ঞানীদের দাবি, এ ডায়েট অনুসরণে ৮ সপ্তাহেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল সম্ভব। ওই ডায়েটের মধ্যে ছিল ৬০০ ক্যালোরির মিল্ক শেক ও সুপ এবং ২০০ ক্যালোরির সবজি। আর দিনে ৩ লিটার পানি পান। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই। রিচার্ড জানান, একটা সুপ, দু’টো শেক আর সবুজ শাকসবজি খেয়ে বেঁচে থাকাটাকে প্রথম দিকে বেশ দুঃসাধ্য কাজ মনে হয়েছিল তার কাছে। তবে তিনি হাল ছাড়লেন না। টানা ১১ দিন এ ডায়েট অনুসরণ করলেন। অকল্পনীয় হলেও সত্যি! তার রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে গেল। অর্থাৎ নন-ডায়াবেটিক লেভেলে নেমে এলো ব্লাড সুগার। এ সময়টায় রিচার্ডের ওজন কমেছিল। এরপর তিনি ফের ডায়াবেটিস পরীক্ষা করে দেখলেন তার শরীর থেকে ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে। দীর্ঘদিন পরও তিনি একেবারেই ডায়াবেটিসমুক্ত। আর ওজনটাকে তিনি ৫৭ কেজির মধ্যেই ধরে রেখেছেন। রিচার্ড ডটির এ সাফল্য নিঃসন্দেহে বিশ্বের কোটি কোটি ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষকে নতুন পথের সন্ধান দেবে। একই বা কাছাকাছি পথ অনুসরণ করে অনেকেই হয়তো নিরোগ জীবন ফিরে পাবেন। তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট

Read More

২৪ জুন ২০১৬

Dilip Poddar

রেকড ৪৩ টি বিয়ে করে বিশ্বকে তাক লাগিয়েছেন এই ফকির।না পড়লে মিস করবেন।



জানা অজানা,বিশ্বরেকর্ড, অদ্ভুত রেকড, বিয়ে,



নিজের মনের কোণে উঁকি দেয়া স্বপ্ন পূরণে টাকার অভাবে যেখানে বিয়ে করার সাহস পায় না মানুষ সেখানে আবার একাধিক বিয়ে! ধনাঢ্য দেশ সৌদির মত ছেলেরা যেখানে টাকার কারণে বিয়ে করতে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে এক ভিখারি ৪৩টি বিয়ে করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

আজ বিশ্বের যতসব অকল্পনীয় ঘটনা। বিশ্বাস না হলেও ঘটনা কিন্তু সত্যি। এমন অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার সদর স্টিটের ফায়ার ব্রিগেডের ঠিক একটু সামনে গুলিস্তানে। বিয়ে করে রেকর্ড সৃষ্টি করা ফকির সম্ভবত তিনিই প্রথম।

ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কিংবা রাজা রামমোহন রায়ের সময়কার ঘটনা হয়তো অনেকেই জানেন। সেই সময়ে ততকালীন হিন্দু সমাজে বিয়ে নিয়ে কিছু প্রথা প্রচলিত ছিল। ব্রাহ্মণের মেয়ের সাথে ব্রাহ্মণের ছেলের বিয়ে হবে কোনোক্রমেই এ নিয়ম অগ্রাহ্য করা যাবে না।

দেখা গেল কোনো পরিবারে দশ থেকে বারোজন মেয়ের বিয়ের বয়স হয়েছে কিন্তু কোনো ব্রাহ্মণ ছেলে পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে কনের বাবা অনেক চিন্তিত। এ সময় পাওয়া গেল কোনো এক ব্রাহ্মণ বয়স্ক পাত্র।

মেয়ের বাবা জাত রক্ষার্থে তার সব মেয়েকেই এক ব্রাহ্মণের সাথে বিয়ে দিতেন। এভাবে দেখা যেত কোনো ব্রাহ্মণ ছেলের প্রায় দুই তিনশ’ বউ থাকতো। এই ব্রাহ্মণরা তাদের বউয়ের হিসাব রাখার জন্য কাগজে লিখে রাখতেন।জানা অজানা,বিশ্বরেকর্ড, অদ্ভুত রেকড, বিয়ে,

বিভিন্ন পালা পার্বণে ব্রাহ্মণ সব বউয়ের কাছে যেতে পারতেন না। এ জন্য তার পিএসকে পাঠাতেন, মেয়েটি হয়তো আশা করে আছে তার স্বামী আসবে বিয়ের পরে। দেখা হবে এই প্রথম। হ্যাঁ, মেয়েটি হয়তো তার স্বামীর চেহারাও ভুলে গেছে। সেই পিএস এসে উপহার তো নিয়েই গেল উপরন্তু ব্রাহ্মণের বউয়ের সাথে সময় দিয়ে গেল।

ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কাছ থেকে অনেকেই বিধবা বিয়ে করার জন্য টাকা নিতেন। কিন্তু বিয়ে করা তো দূরের কথা টাকা নিয়ে বিদ্যাসাগরের সামনেই আর আসতেন না। রাজা রামমোহন রায় কিংবা বিদ্যাসাগরের সময়কার এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবনের চাকা ঘুরিয়েছেন হয়তো এমন ফকিরের নাম শুনেছেন কেউ। ভিক্ষা করে আবার কেউবা ব্যতিক্রমভাবে জীবনযাপন করেন একথাও শুনেছেন। কিন্তু বিয়ে করে রেকর্ড সৃষ্টি করা ফকিরের কথা হয়তো এটাই প্রথম।

এমন আজব ফকিরের সন্ধান মিললো কলকাতার গুলিস্থান হোটেলের সামনে। এই ফকির দেখতে খুব সুদর্শন। নাম তার মাল্লু শাহ। পেশায় তিনি ভিক্ষুক হলেও এখন আর ভিক্ষা করেন না।

মাল্লু শাহের ভিক্ষা করার আর প্রয়োজন পড়ে না। কারণ ভিক্ষা করার জন্য আছে তার ৪৩ জন বউ। মাল্লু শাহের বয়স এখন প্রায় ৭২ বছর। থাকেন কলকাতার সদর স্টিটের ফায়ার ব্রিগেডের ঠিক একটু সামনে গুলিস্থান হোটেলের কাছে। মাল্লুর বয়স যখন পাচ বছর তখন থেকেই তিনি এ অঞ্চলে আছেন।

প্রথমে তিনি নিউমার্কেট থেকে শুরু করে মার্কাস স্ট্রিট এবং রাফি আহমেদ রোড অঞ্চলে ভিক্ষা করতেন। এভাবে এক সময় এই অঞ্চলে ভিক্ষুকদের সর্দার হন তিনি।

এ অঞ্চলে নতুন কোনো ভিক্ষুক এলে প্রথমে মাল্লুর অনুমতি নিতে হতো। মাল্লু প্রথমে বিয়ে করেন মাত্র তেরো বছর বয়সে। এরপর প্রায় ত্রিশ বছর সংসার করার পর তার বউ মারা যায়। মাল্লু ভিক্ষুকদের সর্দার হবার পর থেকে তার রুচিতে পরিবর্তন আসতে থাকে।

যখন কোনো মধ্যবয়সী কিংবা অল্প বয়সী মেয়ে ভিক্ষা করার জন্য অনুমতি নিতে আসতো মাল্লু তাদের বেশ ভালোভাবেই নিয়ম কানুন বুঝিয়ে দিতেন। এদের মধ্য কাউকে পছন্দ হলে মাল্লু তাকে বিয়ে করতেন। মাল্লু এভাবে প্রায় পঞ্চাশের অধিক মহিলাকে বিয়ে করেছেন। এখন পর্যন্ত মাল্লুর সাথে আছে ৪৩ বউ।

মাল্লু সব বউকে ভিক্ষা করার পরিপূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। তবে প্রত্যেক বউকে প্রতিরাতেই তার কাছে হাজিরা দিতে হয়। প্রত্যেক বউয়ের থেকে মাল্লু প্রতিদিন ২০ টাকা করে নিয়ে থাকেন। নিজের বউ ছাড়া অন্য ভিক্ষুকের কাছ থেকে মাল্লু প্রতি সপ্তাহে মাসোহারা নিয়ে থাকেন।

  জানা অজানা,বিশ্বরেকর্ড, অদ্ভুত রেকড, বিয়ে, --তবে মাল্লু ৪৩ বউকে নিয়ে একসাথে থাকেন না। মাল্লুর সাথে থাকে মাত্র তিন বউ। এদের বয়স বিশ থেকে ত্রিশের মধ্য। আরো অধিক মেয়েকে বিয়ে করে ভিক্ষাবৃত্তির পরিপূর্ণ স্বাধীনতা দিতে চান মাল্লু।

Read More

২২ জুন ২০১৬

Dilip Poddar

জানা অজানা বিশ্ব কাঁপানো ১০টি অদ্ভুত ঘটনা, যার সত্য রহস্য হয়তো কখনোই জানা যাবে না



১০) বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল:  যুগ যুগ ধরে চির রহস্যময় একটি জায়গা হল বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। আজও মানুষ  রহস্য উদঘাটন করতে পারছে না, কেন এর কাছাকাছি কোন যাত্রীবাহী জাহাজ অথবা উড়োজাহাজ গেলে আর খুঁজে পাওয়া যায় না? কেন এর কাছাকাছি গেলে মানুষ সব অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়? একদল গবেষক মনে করেন এই সমুদ্রের নীচে রয়েছে অন্য গ্রহের মানুষের বসবাস, তারাই এই সকল ঘটনার জন্য দায়ী। আবার অনেকে মনে করেন হয়তো কোন অদ্ভুত কারণে পৃথিবীর সাথে বাইরের কোন গ্রহের অদৃশ্য একটি দরজা সৃষ্টি হয়েছে। হয়ত এসকল জাহাজ বা প্লেন সেই অদৃশ্য দরজার ফাদে পড়ে চলে যায় অন্য কোন গ্রহে।

জানা অজানা





৯) এরিয়া ৫১: এটি হল আমেরিকানদের চরম একটি গোপনীয় সামরিক ঘাটি। আজ পর্যন্ত কোন সাধারণ মানুষ এর পক্ষে এর ভিতরে ঢুকা সম্ভভ হয়নি। এই ঘাটির আসল কাজ কি সেটা জানতে চেয়েও আজও মেলেনি আমেরিকান সরকারের কাছে এর সঠিক উত্তর। এই ব্যাপরটি নিয়ে কোন প্রশ্ন এলেই সবাই এড়িয়ে যায়। প্রায় মাঝে মাঝেই অদ্ভূত সব আকাশযান দেখতে পাওয়া যায় এই ঘাটির কাছাকাছি। পৃথিবীর কোন আকাশযানের সাথে এর কোন প্রকার মিল নেই। অপরিচিত কাউকে দেখা মাত্রই গুলি করা হবে এরকম নির্দেশ ঝোলানো আছে এই ঘাটির চারপাশে। ভিতরে কি আছে বা কি হচ্ছে এর ভিতরে, কোনভাবেই অন্য কোন মানুষর এর পক্ষে তা জানা সম্ভব নয়। অনেকে ধারণা করে যে এলিয়েনরা পৃথিবীর সাথে নিয়মিত যোগযোগ করেছে। নিয়মিত তারা আসছে পৃথিবীতে। আর তাদের সেই আস্তানা হলো এই এরিয়া ৫১ পৃথিবীর মানুষরা যাতে ভুলেও কোন কিছু দেখতে বা জানতে না পারে সেজন্যই এত গোপনীয়তা রাখা হয় এখানে।

জানা অজানা




৮) ১৯৬৯ সালে মানুষের চাঁদে পদার্পন: এটি বহু পুরানো একটি আলোচনা। সালটি ছিল ১৯৬৯ এটি ছিল পৃথিবীর জন্য একটি সপ্নের বছর। সপ্নকে সত্য করার বছর। এই দিন পৃথিবীর মানুষেরা প্রথম ছাদে তার পদধূলী রাখে। চাঁদ কে জয় করে অসম্ভবকে সম্ভব করে ফেলে মানুষ। তখন অনেকে এর বিরোধিতা করেন। তারা বলেন ১৯৬৯ সালে মানুষ চাঁদকে জয় করতে সক্ষম হয়নি। তারা কারন হিসাবে বলে তখনকার যেসকল প্রযুক্তি ছিল তা দিয়ে চাঁদে যাওয়া সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব। তারা মনে করেন মার্কিনীরা তখন সম্পূর্ণ ঘটনাটি শুটিং করে মানুষদের সামনে তুলে ধরেন এবং তাদের এও ধারনা যে স্ট্যানলি কুবরিক ছিলেন এর পরিচালক।

জানা অজানা




৭) প্রিন্সেস ডায়নার হত্যাকান্ড: আরেকটি সব থেকে বিতর্কিত ঘটনা হল প্রিন্সেস ডায়নার হত্যাকান্ড। ১৯৯৭ সালে প্রিন্সেস ডায়না এবং তার প্রেমিক ফায়াদ এক ভয়াভহ গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যায়। বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের নির্দেশে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্হা MI6 এই দূর্ঘটনার আড়ালে এই ভয়াভহ হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছিলো। অনেকে মনে করেন প্রিন্সেস ডায়নার তুমুল জনপ্রিয়তা, সত্যবাদিতা এবং রাজপরিবারের সমালোচনা ব্রিটিশ রাজ পরিবারকে বিব্রত এবং অস্বস্তিকর অবস্হায় ফেলে দিয়েছিলো। আবার ফায়াদের সাথে প্রিন্সেস ডায়নার সম্পর্ক ব্রিটিশ রাজপরিবার এবং ইংল্যান্ডের জন্য জাতীয় নিরাপত্তার এক বিশাল ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছিলো, তাই হয়তো এই হত্যাকান্ডটি ঘটানো হয়েছিল।




৬) ২০০৫ সালের ৭ই জুলাই, লন্ডনের সিরিজ বোমা বিস্ফোরন:
২০০৫ সালের ৭ই জুলাই শুধু মাত্র ইংল্যান্ডের জন্য নয় তথা সম্পূর্ণ বিশ্ববাসীর জন্য এটি ছিল খুবই বেদনায়ক ও ভয়াবহ একটি দিন। ভূগর্ভস্হ ট্রেনস্টেশনে পরপর কয়েকটি বিশাল ভয়াবহ সিরিজ বোমা বিস্ফোরনে সেদিন প্রাণ হারাতে হয়েছিলো অসংখ্য নিরপরাধ মানুষকে। বিভিন্ন জঙ্গি সংঘটনকে দায়ী করা হয় এই হামলার জন্য। হামলাকারীদের বিভিন্ন ফুটেজও প্রকাশ করা হয়। আসলে কে করেছিল এই হামলাটি? এটি কি তাহলে ছিলো ক্ষমতাশালী দেশগুলোর সাজানো কোন নাটক? উপরের হামলাকারীর ছবিটি দেখুন। এর নাম Mohammed Sidique Khan সে এই ঘটনার সুইসাইড হামলার একজন আসামী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই ছবিটি কোনভাবেই আসল হতে পারে না। জায়গাসহ সব ঠিক আছে। কিন্তু খুব সূক্ষভাবে লক্ষ্য করলে এবং পরীক্ষা করলে খেয়াল করা যাবে ছবির লোকটিকে আলাদা করে ছবিতে বসানো হয়েছে। পুরো ছবিটিই নকল। আবার অনেকে বলেন বোমগুলো হামলাকারীদের ব্যাকপ্যাক থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়নি। এগুলো আগে থেকেই সেখানে রাখা ছিলো। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকানদের সাথে যুদ্ধে নিজেদের অংশগ্রহনকে দেশবাসীর বৈধতা দেবার জন্য এই হামলা ঘটানো হয়েছিলো বলে অনেকের ধারণা।





৫) ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি: ২০০৪ সাল এটি ছিল এশিয়ার মানুষদের জন্য খুব বেদনাদায়ক একটি দিন। এশিয়ার সমুদ্ররের পাশ্ববর্তী দেশগুলোর মানুষেরা এদিন প্রকৃতির এক ভয়াবহ ও নিষ্ঠুর খেলার বাস্তব রূপ দেখতে পায়। বিশাল আকারের এই প্রকৃতিক দুর্যোগ সুনামী আছড়ে পড়ে সমুদ্র পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি দেশে। লাখ লাখ মানুষ মারা যায় এই নিষ্ঠুর সুনামীতে। বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলংকায় এই দুর্যোগে হতাহতের সংখ্যা ছিলো সবচেয়ে বেশী। বিশ্ববাসী কখনোই প্রকৃতির এই নিষ্ঠুর ও ভয়াবহ রূপ ভুলতে পারবে না। কিন্তু মিশরসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সংবাদপত্রের দাবী এর পিছনে বিশ্বের শক্তিশালী বেশ কয়েকটি দেশের হাত রয়েছে। গোপনীয় পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালাতে গিয়ে দূর্ঘটনাক্রমে বিস্ফোরণে এই সুনামীর সৃষ্টি হয় বলে ধারণা করেন অনেকে।

জানা অজানা



৪) HIV ভাইরাস ল্যাবটেরীতে গবেষণা করে বানানো হয়েছিলো: AIDS হছে একটি মরণব্যাধি রোগ। যার চিকিৎসার উপায় এবং ঔষুধ এখন পর্যন্ত গবেষকরা আবিষ্কার করতে পারেনি। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে মরণব্যাধী রোগ হোল এটি। প্রতিবছর বিশেষ করে আফ্রিকার প্রায় প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে। Dr William Campbell Douglass প্রথমে একটি থিওরি দেন, পরে অনেক চিকিৎসক তাকে সমর্থন জানান। উনার মতে HIV ভাইরাসটি ১৯৭৪ সালে WHO এর পরিকল্পনা অনুযায়ী ল্যাবটেরীতে গবেষণা করে বানানো হয়েছিলো। বিশ্ব জনসংখ্যা কমানোর জন্য এটি বানানো হয়। পরে বিভিন্নভাবে এই ভাইরাসটি সম্পূর্ণ আফ্রিকায় ব্যাপক হারে ছড়িয়ে দেয়া হয়। আরেকদল বলে CIA অথবা KGB এই দুটির সংস্থার যেকোন একটি নিজেদের স্বার্থের জন্য এই ভাইরাসটি বানিয়েছিলো। কিন্তু কোন একটি দূর্ঘটনার কারনে সম্পূর্ণ পৃথিবীতে এটি ছড়িয়ে পড়ে।




জানা অজানা

৩) Fluoride প্রয়োগকে বাঁধা দিচ্ছে না WHO: দাতের ক্ষয়রোধ করার জন্য পানযোগ্য পানিতে Fluoride মেশানো হয় এটা আমরা সবাই কম বেশি জানি। আবার বৈজ্ঞানিকভাবেই এটি প্রমাণিত যে এই Fluoride এর অনেক খারাপ দিকও আছে। এর বিভিন্ন রকম পার্শ্বপ্রতিকিয়া মানুষের শরীরকে বিভিন্নভাবে আক্রান্ত করে। একদল গবেষক এর ধারণা এসব জানা সত্ত্বেও WHO এই Fluoride প্রয়োগকে বাঁধা দিচ্ছে না। কারণ এর পিছনে রয়েছে বিশাল এক ব্যবসা। এর পিছনে রয়েছে বিশাল বিশাল সব ঔষুধ কোম্পানী। কারন মানুষ অসুস্হ থাকলেই তো এদের লাভ। আর মানুষ যদি অসুস্হ না থাকে তাহলে এত ঔষুধ কোম্পানী চলবে কি করে ??




২) আসলেই কি Elvis Presley তার মৃত্যু নিয়ে নাটক করেছিল: এক কালের বিখ্যাত ও তুমুল জনপ্রিয় গায়ক Elvis Presley এর নাম শুনেননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। বিশ্বজুড়ে তার রয়েছে অগণিত ভক্ত। এখনও মানুষ তার গান শুনে যায় এবং পছন্দ করে। বিখ্যাত এই গায়ক তরুণ বয়সেই জনপ্রিয়তার এক বিশাল রাজ্যে প্রবেশ করে। ১৯৭৭ সালে হঠাৎ করেই এই মহান গায়ক মারা যান। একদলের দাবী সেই সময় নাকি আসলেই Elvis মারা যাননি। তিনি নিজের মৃত্যু ঘটিয়ে সবার থেকে আড়ালে চলে যান। অনেকে নাকি এরপরও তাকে দেখেছেন! তার আসল মৃত্যু নাকি হয় ১৯৯০ সালে। আসলেই কি Elvis Presley তার মৃত্যু নিয়ে নাটক করেছিল?

জানা অজানা






১) ২০১২ রহস্য: সবথেকে বড় ঘটনাটি ঘটে ২০১২ সালে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এই গুজব নিয়ে। তখন অনেকে অবশ্য হেসেই উড়িয়ে দিয়েছে এই ব্যাপারটিকে। কিন্তু এর পক্ষের লোকর অভাব ও কিন্তু কম ছিল না। প্রচুর মানুষ বিশ্বাস করেছিল ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসবে এই পৃথিবীর বুকে। মায়ানদের ক্যালেন্ডারের সমাপ্তি এবং নষ্ট্রাডমাস এর কিছু ভবিষ্যৎবাণীর কারণে আগুন এর এই বিশ্বাস ছড়িয়ে পড়েছিল সমগ্র বিশ্বে। আমি নিজেও বিশ্বাস করেছিলাম হয়তো ধ্বংস হবে না কিন্তু বিশাল এক পরিবর্তন আসবে পৃথিবীর উপর এই সময়ে। কিন্তু সব কল্পনা, ভবিষ্যৎবাণীকে মিথ্যা প্রমান করে পৃথিবী আজও চিরজীবী হয়ে রয়েছে।

লেখাটি আপনার কেমন লাগলো তা আমাদেরকে অবশ্যই জানাবেন। আপনার মতামত আমাদের কাছে খুবই মূল্যবান।বিশ্ব কাঁপানো ১০টি ঘটনা, যার আসল রহস্য হয়তো কখনোই জানা যাবে না

জানা অজানা

Read More

২০ জুন ২০১৬

Dilip Poddar

মেমোরি কার্ড ফোরমাট হচ্ছে না? দেখে নিন সমাধান



সমাধান:-
বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মেমরি কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটার মধ্যে আপনি রাখতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ
সব ডাটা। এছাড়াও জীবনের সৃত্মি চিহ্নিত কিছু ছবি আমরা আমদের মোবাইলের মেমরি কার্ডের মধ্যেই রাখি। তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হয়ে যায়। ফলে আপনি পরেন মহাবিপাকে।
অবশেষে আপনার প্রয়োজনীয় কিছু ডকুমেন্ট হারিয়ে আপনি হতাশায় ভোগেন। নানান ভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা বাহ্যিকভাবে নষ্ট মেমরি কার্ডকে ঠিক করা কঠিন। তারপও আধুনিক কম্পউটারের যুগে সবই সম্ভব। এবার আপনাদের জানাবো কিভাবে নষ্ট মেররি কার্ড ঠিক করবেন।
ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে:
মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না। এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকেরিকভারি সফটওয়্যার মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারে।
আর এ জন্য যা করতে হবে আপনাকে:
প্রথমে কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run asadministratorনির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড
প্রম্পট চালু হলে এখানে chkdskmr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।
কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।
এখানেconvertlostchainsto filesবার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে।


মেমোরি কার্ড যদিinvalid filesystemদেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করেFormat-এ ক্লিক করুন।File systemথেকেFATনির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।

Read More

২৯ মে ২০১৬

Dilip Poddar

বেশি দাঁত মাজা ভালো না


Read More
Dilip Poddar

অদ্ভুত বন্ধুত্ব

২০১৩ সালের ২৬ জুলাই একটি মেয়ে কুকুর তার বাচ্চার পাশাপাশি ১০ দিনের বাঘ শাবকেও স্তন্যদান করতে দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স।

২০০৪ সালের ২ জুলাই, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক শহর থেকে ৮০ কি.মি. পূর্বে অবস্থিত সিরাচা চিড়িয়াখানায় একটি শুকর শাবককে আরামে বাঘের সঙ্গে ঘুমিয়ে থাকতে দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স।

২০১২ সালের ১০ অগাস্ট, কুমিরের পিঠে চড়ছে একটি কচ্ছপ। এই বুদ্ধি আগে জানলে হয়ত খরগোশের সঙ্গে কষ্ট করে পাল্লা দিতে হত না সেই কচ্ছপকে। ছবি: রয়টার্স।

৯ মে ২০০২ সাল, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে একটি মেয়ে বানর জড়িয়ে ধরে আছে এক কুকুর শাবককে। এদের মালিক জানায়, পোষা প্রাণী বিক্রেতার কাছ থেকে এই বানর সংগ্রহ করার পর, সে নিজেই কুকুর শাবককে দেখাশোনার ভার কাঁধে তুলে নেয়। ছবি: রয়টার্স।

৭ অগাস্ট, ২০০২ সাল, ব্যাংকক থেকে ৪৫০ কি.মি. দূরে অবস্থিত ফিচিটের একটি খামারবাড়িতে এভাবেই খাবার ভাগ করে খেত সাত বছর বয়সি মেয়ে বিড়াল আওয়ান এবং তিন বছর বয়সি ইঁদুর জিনা। ছবি: রয়টার্স।
Read More
Dilip Poddar

আশ্চর্য এক কুমির মাছের কাহিনী!



পেছনের অংশ না দেখে যদি শুধু মুখের অংশ দেখেন তাহলে এই মাছকে একবাক্যে সবাই কুমির বলেই মনে করবে। কিন্তু আসলে এটি একটি মাছ।

নামও ওদের কুমির মাছ। ইংরেজিতে অ্যালিগেটর গ্যার বলে এই মাছকে। তবে মুখ দেখলে কেও বিশ্বাসই করবে না, ওটা একটা মাছ। মনে হবে আস্ত কুমির। এ মাছের মুখটা কুমিরের মতো। শুধু মুখটাই। শরীরের বাকি অংশ কিন্তু একেবারে মাছের মতো। মুখের ভিতর রয়েছে দুই সারি বড় বড় দাঁত। দুটো সারিই মুখের উপরের অংশে। আর মাছের নামকরণ হয়েছে মুখের এই কুমিরসদৃশতার কারণেই। লেজের দিকে তাকালেও বোঝা যায় এটি একটি মাছ। অর্থাৎ মাছের যেমন লেজ থাকে ঠিক তেমনি।
কুমির মাছের গায়ের রঙ বাদামি অথবা জলপাই। কখনও কখনও পেটের দিকে রং খানিকটা হালকা থাকে। এ মাছের আঁশগুলো হীরে আকৃতির। হীরাকৃতির কারণেই আদিম আমেরিকানরা আঁশকে অলংকার হিসেবে ব্যবহার করে।

এই কুমির মাছের দেখা মিলবে উত্তর আমেরিকায়। পরিষ্কার পানির মাছ এরা। বিশেষ করে লোয়ার মিসিসিপি নদী এবং যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণের উপকূলীয় রাজ্যগুলোতে এই মাছ দেখা যায়। আর পাওয়া যায় মেক্সিকোতে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, ওকলাহোমা, সাউথ ক্যারোলিনা, নর্থ ক্যারোলিনা, ভার্জিনিয়া, লুইজিয়ানা, কেনটাকি, মিসিসিপি, আলাবামা, টেনেসি, আরকানসাস, মিসৌরি, ফ্লোরিডা আর জর্জিয়ায়। এসব মাছের আবাসস্থল সাধারণত বড়সড় নদী, শাখা নদী আর হ্রদে। মোট কথা যেখানে পানি প্রচুর, সেখানেই। এর কারণও আছে। এসব মাছ দানবাকৃতির। একেবারে কুমিরের মতোই আকার। লম্বায় একেকটা হয় ৮ থেকে ১০ ফুটের মতো। আর ওজন হয় একশ কেজির কাছাকাছি।
জানা যায়, এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় কুমির মাছটি ধরা হয়েছিল ২০১১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। মিসিসিপি নদীর ভিকসবার্গ থেকে ধরা কুমির মাছটি লম্বায় ছিল আট ফুট পাঁচ ইঞ্চি। আর ওজন ছিল ১৪৮ কেজি। চওড়ায় ছিল চার ফুট। ওই কুমির মাছের বয়স ৫০ থেকে ৭০ বছর বলে ধারণা করেছিলেন প্রাণিবিদরা। কুমির মাছটি যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাকসনের মিসিসিপি মিউজিয়াম অব ন্যাশনাল সায়েন্সে সংরক্ষণ করা হয়েছে। কুমির মাছ দেখতে যে কেবল কুমিরের মতো তা কিন্তু নয়। এদের আচার-আচরণও খানিকটা কুমিরের মতো। যেমন- পানি ছাড়া লম্বা সময় বেঁচে থাকতে পারে কুমির মাছ। অন্তত কম করে হলেও দুই ঘণ্টা।

ভাবা হয়েছিল, কুমির মাছ কেবল উত্তর আমেরিকাতেই আছে। কিন্তু ২০০৭ সালে ফেব্রুয়ারিতে একেবারে উল্টো গোলার্ধে খোঁজ মিলল এই কুমির মাছের। তাও আর কোথাও নয়- ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়। তবে জাকার্তার মাছটি ছিল বেশ ছোট আকারের। লম্বায় পাঁচ ফুটও ছিল না। এরপর ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে ৩ কেজি ওজনের আরেকটি কুমির মাছের দেখা মিলল মালয়েশিয়ার পেহাঙের বেরায়। জেলেদের জালে নিজে নিজেই ধরা দেয় মাছটি। এরপর একে একে তুর্কমেনিস্তান, হংকং, সিঙ্গাপুর ও জাপানেও দেখা মিলেছে কুমির মাছের।
কেবল উত্তর আমেরিকার কুমির মাছই দানবাকৃতির। খাবারেও কুমিরের মতো-মাংসাশী। বাকি কুমির মাছ দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বাকিরা প্রত্যেকেই নিরামিষভোজী। উত্তর আমেরিকার কুমির মাছদের খানিকটা বদনামও আছে। কুমিরের মতোই নাকি মানুষকে আক্রমণ করে। যদিও এমন প্রমাণ আজ পর্যন্ত কেও দিতে পারেনি। হয়তো দামবাকৃতির বলেই এমন দুর্নাম দেওয়া হয়েছে এই মাছটির।

আকারে দানবাকৃতি হওয়ার কারণে পানিতে এদের চলাচল বেশ ধীর গতিতে। বসন্তে ডিম পাড়ে কুমির মাছ। কুমির মাছের ডিম কিন্তু বেশ বিষাক্ত। ডিম যতই বিষাক্ত হোক, কুমির মাছ কিন্তু বিষাক্ত নয়। কুমির মাছ খাওয়া যায়। দুনিয়ার যেসব দেশে পাওয়া যায়, সেসব দেশের মানুষই খায় কুমির মাছ। খেতেও নাকি বেশ সুস্বাদু।

Read More
Dilip Poddar

অদ্ভুত প্রকৃতির একটি বিমান


নিলস হোলগারশন লাইনস নামের অদ্ভুত এই বিমানটি দেখে যে কেউ হতভম্ব হয়ে যাবে...

বিমানটি যেমন অদ্ভুত ঠিক তেমনি হাস্যকরও বটে। এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন উড়তে কোন সমস্যা না হয়। অনেকেই প্রথম দেখেই ভাববেন হয়ত যে এটি বোধ হয় শুধুমাত্র যাদুঘরে রাখার জন্য উড়তে পারে না, ভুল ভাবছেন এটি উড়তেও পারে। বিমানটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি এখনও।

Read More
Dilip Poddar

অদ্ভুত মাংস খেকো কলসী গাছ

আমাদের এই পৃথিবীতে কত অদ্ভুত প্রজাতিরই না গাছ রয়েছে। এই সকল গাছের মধ্যে কোনো গাছ ভেষজ ও উপকারী। আবার কোনো কোনো গাছ হয় অপকারী ও ভয়ংকর প্রজাতির।

তেমনই একটি গাছ হচ্ছে নেপেন্থেস অ্যাটেনবারোওঘি। এটি এর বৈজ্ঞানিক নাম। দেখতে যত সুন্দর আর নিরীহই হোক না কেন, গাছটি আসলে একটি মাংসাশী গাছ। নানা কীটপতঙ্গ, পোকা-মাকড়, এমনকি বড় বড় ইঁদুর পর্যন্ত গিলে খায় এটি।

আঞ্চলিক রীতিমত এই গাছটি কলসী গাছ নামেও পরিচিত। কেননা এটি দেখতে অনেকটা কলসীর মতো। আর এই কলসীর ভিতর লাল রঙের মধুর মতো এক ধরনের তরল পদার্থ থাকে। যেখানে মধু সেখানে পোকা-মাকড় আসারই কথা।

এই কলসির মতো কাঠামোর মধ্যে যখন কোনো পোকা-মাকড় মধু খেতে আসে তখন পা পিছলে এর ভিতরে পরে যায় এবং এটির উপরে একটা ঢাকনা থাকায় পোকা ভিতরে পরা মাত্রই ঢাকনা বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়া ওই তরল পদার্থে বিশেষ এসিড ও অ্যানজাইম থাকায় কোন প্রাণী পড়া মাত্রই তা নিস্তেজ হয়ে যায়। এরপর গাছটির ভিতরে ঢুকা প্রাণীটিকে সহজেই খাবারের উপযোগী করে তোলে ওই মাংসাশী গাছ।

উল্লেখ্য, সকল কীটপতঙ্গই এই গাছের শিকার। তবে নানা প্রাণীর মধ্যে ইঁদুরই এই মাংসাশী গাছটির কবলে বেশি পড়ে। আবার ইঁদুরই হচ্ছে এই গাছের সবচেয়ে প্রিয় খাবার। গাছটি বিজ্ঞানীসহ সাধারণ মানুষের মাঝেও ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।

২০০০ সালের দিকে এই গাছটির প্রথম সন্ধান মিললেও সম্প্রতি গাছটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা। ফিলিপাইনের পালাওয়ানের নির্জন পাহাড়ী এলাকায় এই গাছের দেখা মিলেছে বলেও জানা যায়।

Read More
Dilip Poddar

পেশীবহুল কুকুর ওয়েন্ডি


 
বর্তমানে পেশীবহুল শরীর যেন ষ্টাইলে পরিনত হয়েছে। অনেক নায়ক ও মডেল আছেন যাদের পেশী বহুল শরীর আমাদের সকলের নজর কাড়ে। আজ আপনাদের এরকম এক পেশী বহুল কুকুরের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব, যাকে অনেকেই আদর করে আর্নল্ড সোয়াজনেগার বলে ডাকে। চলুন তবে পরিচিত হয়ে নেওয়া যাক সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র পেশিবহুল এই কুকুরের সাথে।

চার বছর বয়স্ক, ওয়েন্ডি (Wendy) নামের এই স্ত্রী কুকুরের বসবাস ক্যানাডার ভিক্টরিয়া শহরে। শহরে বেশ নাম কামিয়েছে ওয়েন্ডি, কেননা অন্যান্য কুকুরের থেকে দেখতে সম্পূর্ন অন্য রকম। তার দেহের মাংস পেশী দেখলে মনে হবে যেন ব্যায়াম করে বিশাল পেশীবহুল দেহ বানিয়েছে। সে whoppet প্রজাতির কুকুর হলেও অন্যান্য whoppet কুকুরের থেকে সম্পূর্ন আলাদা। আকার আকৃতিতে অনেক বড়। whoppet প্রজাতির কুকুর, শিকারি প্রজাতির কুকুর হয়। এদের ব্যাবহার হয় মূলত শিকারের কাজে, কুকুর দৌড় প্রতিযোগিতায় আর পাহাড়ার কাজে।

এবার ওয়েন্ডির শারীরিক গঠন সম্পর্কে কিছু জেনে নেওয়া যাক। ওয়েন্ডির ওজন ২৭.২১ কেজি, যা এই প্রজাতির কুকুরের ওজনের প্রায় দিগুন। ওয়েন্ডির ঘাড় অস্বাভাবিক ভাবে মোটা আর পিঠের দিকে প্রতিটা মাংস পেশী বোঝা যায় তবে পেটের দিকটা অন্যান্য whoppet প্রজাতির কুকুরের মত চিকন, তবে মজার জিনিষ হচ্ছে, আমরা অনেক সময় শুনে থাকি এই নায়কের ৬ প্যাক মাসেল আর এই নায়কের ৮ প্যাক মাসেল, এরকম ওয়েন্ডির পেটের মাসেল ২৮ প্যাক। কি মজা পেলেন নাকি? এরকম শক্তিশালী শরীর নিয়ে ওয়েন্ডির একটু সমস্যা আছে আর তা হল, whoppet প্রজাতির কুকুর তার দ্রুত গতীর জন্য বেশ নাম করা কিন্তু ওয়েন্ডি ঠিক তার প্রজাতির মত এত জোড়ে দৌড়াতে পারে না। একটা প্রশ্ন কিন্তু থেকে যায়, ওয়েন্ডির এরকম শরীর গঠনের পিছে আসল রহস্য কি? নাকি ওয়েন্ডি ব্যায়াম করে এরকম শরীর গঠন করছে?

আসলে ওয়েন্ডির এই শরীর গঠন আমাদের অবাক করলেও এটি কিন্তু ওয়েন্ডির জন্য মোটেও সুখকর নয়। এটি এক ধরনের জেনেটিক রোগ। এর ফলে শরীরের সকল পেশী দ্বিগুন হয়। আর এই কারনেই ওয়েন্ডির পেশী গুলি এরকম উচু হয়ে থাকে যার ফলে দেখলে মনে হয় যেন ব্যাম করে শরীর ফুলিয়েছে। আর এই রোগে আক্রান্ত কুকুরের বয়স সীমা অন্যান্যদের তুলনায় কম হয়। এছাড়া নড়াচড়া করতে সমস্যার কারনে জোড়ে দৌড়াতে পারে না। তবে ওয়েন্ডির হার্ট এবং ফুসফুস সাধারন সাইজে থাকায় বিষেশজ্ঞদের মতে সে অন্যান্য কুকুরের মত বয়স সীমা অতিক্রম করতে পারার সম্ভাবনা আছে। ওয়েন্ডির এই রোগের কারনে সে জেনেটিক বিশেষজ্ঞদের কাছে বেশ আগ্রহের পাত্রী। তাকে নিয়ে বেশ গবেষনাও চলছে।

সে যাই হোক ওয়েন্ডির বর্তমান দেহ গঠন যে তাকে অন্যান্য কুকুর থেকে অনেকটাই ভিন্ন করে রেখেছে আশা করি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। দেহ গঠন বাদে তার অন্যান্য সব আচারন সাভাবিক কুকুরের মতই।

Read More
Dilip Poddar

গাড়িতে বসলে বমি আসে? তাহলে এই লেখাটি পড়ুন।




গাড়িতে চেপে বসেছেন কোথাও যাবেন বলে। গাড়ি চলছে। কিছুদূর যেতেই শরীরটা কেমন কেমন লাগছে, মাথা ঘোরাচ্ছে, বমি বমি লাগছে এবং শেষে বমি হয়েও গেল। একবার নয়, একাধিকবার। বমি হয়ে যে স্বস্তি, তাও নয়। শরীরটা কেমন কেমন যেন লাগছে।



যেকোনো যান বাহনে চড়ার পর অনেকেরই এমন অবস্থা হয়। এ সমস্যার নাম মোশান সিকনেস। গাড়ি যখন চলা শুরু করে, আর আপনার দৃষ্টি গাড়ির ভেতরে, তখন আপনার অন্তঃকর্ণ বলে, আপনিও চলছেন গাড়ির গতিতে। কারণ গাড়ি চলার সঙ্গে সঙ্গে আপনার অন্তঃকর্ণেও তরল পদার্থের নড়াচড়া হয়। সে জন্য অন্তঃকর্ণ চলার সিগন্যাল পাঠায় আপনার মস্তিষ্কে। কিন্তু আপনার চোখ বলে না। আপনি স্থির আছেন; চলছে না কিছুই।

এমন অবস্থায় আপনার ব্রেন বলে, বেচারা চোখ অথবা অন্তঃকর্ণ দুটোর যে কোনো একটা ঘোরের মধ্যে আছে। ভাবে, কোনো বিষাক্ত জিনিস খাওয়ার কারণই এমন নেশার অবস্থা হয়েছে। সুতরাং বিষাক্ত জিনিস বের করিয়ে দিতে দেয় বমি করিয়ে। বমি হয়।
মোশান সিকনেস পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে চলার পথেকিছু টিপস উপকারে আসবে।

- গাড়ির ভেতরে দৃষ্টি নিবদ্ধ না রেখে যতদূর সামনে দৃষ্টি যায়, তাকিয়ে থাকুন। আপনার অন্তঃকর্ণ ও চোখ তখন একই সিগন্যাল পাঠাবে মস্তিষ্কে ‘গাড়ি চলছে, আপনিও চলছেন।’

- জানালার কাছে সিট নিন। জানালা খুলে দিন। ঠাণ্ডা বাতাস পরশ বোলাবে শরীরে। ভালো লাগবে।

- হালকাভাবে দুই চোখ বন্ধ করে রাখুন। অথবা একটু তন্দ্রাচ্ছন্নভাব নিয়ে আসুন।

- গাড়ি চলছে। চলন্ত গাড়িতে বই, পত্রিকা পড়া থেকে বিরত থাকুন। বই, পত্রিকা পড়লে দৃষ্টি স্থির থাকবে গাড়ির ভেতরে। তাই বমির উদ্রেগ হতে পারে।

- গাড়িতে উঠলেই বমি হবে, এরকম চিন্তা মনে আনা যাবে না। অন্য চিন্তা করতে হবে। এ সময় গাড়ির বাহনের বাইরে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে হবে।

Read More
Dilip Poddar

স্মার্টফোন ব্যবহারে মস্তিষ্কে টিউমার!



নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ-এর বিশেষজ্ঞরা স্মার্টফোনের মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানতে পেরেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোনের রেডিয়েশনে মস্তিষ্কে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।



ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টাল হেলথ সায়েন্সেস এক গবেষণার আংশিক ফলাফল প্রকাশ করেছে। প্রাথমিক অবস্থায় এ গবেষণা চলে ইঁদুরের ওপর। দেখা গেছে, স্মার্টফোনের তেজস্ক্রিয়তায় ইঁদুরের মস্তিষ্কে টিউমার দেখা দেয়। বিশেষ করে গর্ভে থাকার সময় থেকে পরবর্তী ২ বছরের মধ্যে ২-৩ শতাংশ পুরুষ ইঁদুরের মস্তিষ্কে টিউমার হয়। তবে স্ত্রী প্রজাতির ইঁদুর এই তেজস্ক্রিয়তা প্রতিরোধে সক্ষম। যেসব পুরুষ ইঁদুর স্মার্টফোনের রেডিয়েশনে আক্রান্ত হয় তাদের মৃত্যুঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বৃদ্ধি পায়।

গবেষকরা অনেক আগে থেকেই ধারণা করে আসছেন, স্মার্টফোন থেকে যে রেডিয়েশন ছড়ায় তা মানুষের জন্যে ক্ষতিকর। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নিরেট কোনো প্রমাণ মেলেনি। এ গবেষণার মাধ্যমে বিষয়টি হয়তো নিশ্চিত হওয়া যাবে। সূত্র : ফক্স নিউজ

Read More

২৭ মে ২০১৬

Dilip Poddar

কিভাবে ব্লগের যে কোন Images ও Thumbnails সাইজ ছোট-বড় করবেন?

বেশীরভাগ লোক ব্লগের Thumbnails ও Thumbnails Image এর সাইজ ছোট-বড় করার ক্ষেত্রে CSS ব্যবহার করেন। CSS কোড ব্যবহার করে যদিও Image এর সাইজ ছোট বড় করা সম্ভব হয় কিন্তু দেখা যায় CSS কোড Thumbnail Image এর Resolution নষ্ট করে দিচ্ছে কিংবা Image এর কিছু অংশ Thumbnail এর বাহিরে পড়ে থাকছে। এতেকরে Image টি Thumbnail এর সাথে ঠিকমত Adjust না হওয়ার কারনে দেখতে বিশ্রি লাগে।


আমরা আজ যেটি শেয়ার করছি সেটিতে ছোট্ট একটি Jquery ব্যবহার করেছি। এই Jquery এর সাহায্যে Popular Post, Recent Post, Related Post Widget সহ যে কোন ধরনের Thumbnails ও Thumbnails Image এর সাইজ ছোট-বড় করতে পারবেন। এটি ব্লগের Thumbnails Image এর সাইজ ঠিক রাখার পাশাপাশি Resolution ঠিক রেখে Image-কে Thumbnail Area এর বাহিরে যাওয়া থেকে বিরত রাখবে।


 কিভাবে ব্লগে যুক্ত করবেন?

  • প্রথমে ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার ড্যাশবোর্ডে হতে Template > Edit Html এ ক্লিক করুন।
কিভাবে ব্লগের যে কোন Images/Thumbnails সাইজ ছোট-বড় করতে হয়?

  • কিবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে </head> অংশটি সার্চ করুন।
  • এখন নিচের Jquery কোডটি </head> ট্যাগের ঠিক উপরে পেষ্ট করুন।

<script src='http://ajax.googleapis.com/ajax/libs/jquery/1/jquery.min.js'/>

<script type='text/javascript'>
   //<![CDATA[
   $(document).ready(function(){
   $(".item-thumbnail").find("img").each(function(b,a){a=
   $(a);a.attr({src:a.attr("src").replace(/s72-c/,"w250-h150").replace(/default/,0)});a.attr("width",250);a.attr("height",150)})})
   //]]>
</script>



  • সবশেষে Save Template এ ক্লিক করলেই কাজ OK.
  • নোটঃ উপরের কোডটিতে ব্লগের Popular Post এর জন্য সেট করে দেয়া আছে। আপনি যদি অন্য কোন Widget এর Thumbnail ব্যবহার করতে চান তাহলে হলুদ কালারের .item-thumbnail ক্লাসের জায়গায় আপনার কাঙ্খিত উইজেটটির আইডি অথবা ক্লাস বসিয়ে দিলেই হয়ে যাবে।

 কাষ্টমাইজেশনঃ

  • আপনার ব্লগে যদি Jquery এর কোন ভার্সন যুক্ত করা থাকে তাহলে সবুজ কালারের লাইনটি যুক্ত করার কোন প্রয়োজন নেই।
  • লাল কালারের w250 সংখ্যাটি Thumbnail Width এর সাথে মিল রেখে দেবেন।
  • নীল কালারের h150 সংখ্যাটি Thumbnail Height এর সাথে মিল রেখে দেবেন।
  • সর্বশেষ পিংক কালারের Width ও Height আপনার ইচ্ছামত বসাতে পারেন।

Read More